প্রিন্ট এর তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
জ্বালানি ও বিনিয়োগ সংকটে চাপে শিল্পখাত, এক বছরে বন্ধ আড়াই শতাধিক কারখানা
মো: পলাশ পাঠান তুষার, স্টাফ রিপোর্টার ||
জ্বালানি সংকট,
উচ্চ
সুদের
হার,
ডলার
সংকট
ও
বিনিয়োগে স্থবিরতার কারণে
দেশের
শিল্পখাত বড়
ধরনের
চাপে
পড়েছে।
খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য
অনুযায়ী, গত
এক
বছরে
ছোট-বড় মিলিয়ে আড়াই
শতাধিক
শিল্পপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
হয়েছে।
এতে
দেড়
লাখের
বেশি
শ্রমিক-কর্মচারী কর্মহীন হয়েছেন। একই সঙ্গে অধিকাংশ শিল্পে
উৎপাদন
কমেছে
এবং
রপ্তানি আদেশও
হ্রাস
পেয়েছে।শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন,
গ্যাস-বিদ্যুতের অনিশ্চিত সরবরাহ, ব্যাংকঋণের উচ্চ
সুদ,
ডলার
সংকট
ও
নীতিগত
অনিশ্চয়তার কারণে
নতুন
বিনিয়োগে আগ্রহ
কমছে।
বর্তমানে নতুন
শিল্পে
গ্যাস
সংযোগও
সাময়িকভাবে স্থগিত
রয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য
অনুযায়ী, শিল্পকারখানায় গ্যাস
সংযোগের জন্য
প্রায়
১
হাজার
৮৫৭টি
আবেদন
অপেক্ষমাণ।এদিকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন
কর্তৃপক্ষ (বিডা)
বলছে,
শিল্পে
গতি
ফেরাতে
জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি বিকল্প
ও
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে।
সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক
চৌধুরী
জানান,
এলএনজি
অবকাঠামো সম্প্রসারণ, সৌরবিদ্যুৎ এবং
অন্যান্য নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে বিনিয়োগ আকৃষ্ট
করার
চেষ্টা
চলছে।অন্যদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)
তথ্য
অনুযায়ী, টানা
তিন
অর্থবছর ধরে
জিডিপির অনুপাতে বেসরকারি বিনিয়োগ কমছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ
হার
নেমে
এসেছে
২১
দশমিক
৫৩
শতাংশে,
যা
গত
১৪
বছরের
মধ্যে
সর্বনিম্ন। একই
সময়ে
শিল্পের কাঁচামাল ও
মূলধনী
যন্ত্রপাতি আমদানিও কমেছে।
পাশাপাশি ২০২৬
সালের
প্রথম
প্রান্তিকে নতুন
বিদেশি
সরাসরি
বিনিয়োগ (নেট
ইকুইটি)
আগের
বছরের
একই
সময়ের
তুলনায়
৭০
শতাংশের বেশি
কমেছে।অর্থনীতিবিদদের মতে,
শিল্পে
আস্থা
ফেরাতে
নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ,
সুদের
হার
সহনীয়
পর্যায়ে আনা,
ব্যাংকিং খাতে
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং
নীতিগত
স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা
জরুরি।
কপিরাইট © ২০২৬ Ctn Tv । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত