প্রিন্ট এর তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর-লুটপাট, বিএনপির বিরুদ্ধে নাহিদ ইসলামের অভিযোগ
ফয়সাল আহমেদ সুইট , রিপোর্টার ||
জনপ্রিয়
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জুলাই অভ্যুত্থানের
সহযোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে রাতের আঁধারে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায়
নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি
এ ঘটনার জন্য চাঁদাবাজি ও
সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তুলে সরকারের ভূমিকা
নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।ঘটনার
বর্ণনা দিয়ে নাহিদ ইসলাম
লেখেন, রাতে সালমান মুক্তাদিরের
স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর
ভাষ্য, ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে
দুটি অভিযোগ পাওয়া গেছে চাঁদা না
দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখল।নাহিদ
ইসলাম বলেন, ‘আবার এবার ঘটনাটি
ঘটেছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা
কিংবা সম্পত্তি দখলের দুঃসাহস কাদের হতে পারে?’কোনো
স্থাপনা অবৈধ হলে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,
কেউ কোনো সম্পত্তি দখল
করে রাখলে তা উদ্ধারের জন্য
আইন-আদালতের দ্বারস্থ হওয়া যায়। কিন্তু
আইনি পথ অনুসরণ না
করে সারা দেশে ক্ষমতাসীনদের
এমন আচরণ কীসের ইঙ্গিত
দিচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলেন
তিনি।পোস্টে
বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়েও অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক।
তাঁর দাবি, বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব নতুন
নয়; ৫ আগস্ট বিকেল
থেকেই তা শুরু হয়েছে।
তাঁর অভিযোগ, জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের তরুণেরা
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখার সময় বিএনপির ‘সন্ত্রাসী
বাহিনী’ সারা দেশে ফ্যাসিবাদীদের
চাঁদাবাজি ও দখলবাজির সিন্ডিকেটের
নিয়ন্ত্রণ নেয়।নাহিদ
ইসলামের ভাষ্য, আওয়ামী লীগের শোষণের ‘সাম্রাজ্য’ দখলের পরও বিএনপি-সংশ্লিষ্টরা
থেমে থাকেনি। বরং চাঁদাবাজি ও
দখলদারিত্বের পরিমাণ এবং আওতা কয়েক
গুণ বেড়েছে। তাঁর অভিযোগ, ১৮
কোটি মানুষ আজ এদের কাছে
জিম্মি।
সরকার
ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, এসব
ঘটনার বিচার সরকারের কাছে, বিশেষ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে চাওয়া
অর্থহীন। তবে তাঁর প্রত্যাশা,
অবিলম্বে চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে প্রিয় মাতৃভূমি
মুক্তি পাবে, ইনশাআল্লাহ।
কপিরাইট © ২০২৬ Ctn Tv । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত