ঢাকা, ৪ আগস্ট: গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বদলি ও টেন্ডার–সংক্রান্ত অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো বিভিন্ন লিখিত নথি, সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগে বলা
হয়েছে,
২১তম
বিসিএস
গণপূর্ত ক্যাডারের এই
কর্মকর্তা চাকরিজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োগ,
পদায়ন,
পদোন্নতি ও
সরকারি
প্রকল্পের দরপত্র
প্রক্রিয়ায় প্রভাব
বিস্তার করেছেন। অভিযোগকারীদের দাবি,
তিনি
বিভিন্ন সময়ে
গুরুত্বপূর্ণ পদে
পদায়ন
পেতে
রাজনৈতিক ও
প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবহার করেছেন
এবং
সরকারি
নির্মাণ প্রকল্পে কমিশন
বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল
সম্পদ
গড়ে
তুলেছেন।
দুদকে জমা
দেওয়া
অভিযোগে আরও
দাবি
করা
হয়েছে,
তাঁর
ও
স্বজনদের নামে
আবাসন,
শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক
আমানত,
ফ্ল্যাট, প্লট
এবং
অন্যান্য সম্পদ
রয়েছে,
যার
উৎস
নিয়ে
প্রশ্ন
রয়েছে। অভিযোগে এসব
সম্পদের বিষয়ে
তদন্তের দাবি
জানানো
হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জ, ভোলা,
ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও
সাভারে
কর্মরত
অবস্থায় বিভিন্ন সরকারি
নির্মাণ প্রকল্প, ভবন
নির্মাণ, মেরামত
ও
টেন্ডার কার্যক্রমে অনিয়ম
এবং
কমিশন
গ্রহণের অভিযোগও উত্থাপন করা
হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি পদায়নকে কেন্দ্র করে
প্রভাব
খাটানো
ও
আর্থিক
লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে বদরুল
আলম
খানের
স্ত্রীও তাঁর
ব্যক্তিগত জীবন,
সম্পদের মালিকানা এবং
পারিবারিক বিষয়
নিয়ে
বিভিন্ন অভিযোগ
তুলেছেন। তবে
এসব
অভিযোগের স্বাধীন যাচাই
সম্ভব
হয়নি।
এ পর্যন্ত অভিযোগগুলোর বিষয়ে
কোনো
আদালতের চূড়ান্ত রায়
বা
দুদকের
তদন্ত
প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
ফলে
অভিযোগগুলোর সত্যতা
আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বক্তব্য প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা, ৪ আগস্ট: গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, বদলি ও টেন্ডার–সংক্রান্ত অনিয়ম, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলো বিভিন্ন লিখিত নথি, সংশ্লিষ্ট সূত্র এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগে বলা
হয়েছে,
২১তম
বিসিএস
গণপূর্ত ক্যাডারের এই
কর্মকর্তা চাকরিজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োগ,
পদায়ন,
পদোন্নতি ও
সরকারি
প্রকল্পের দরপত্র
প্রক্রিয়ায় প্রভাব
বিস্তার করেছেন। অভিযোগকারীদের দাবি,
তিনি
বিভিন্ন সময়ে
গুরুত্বপূর্ণ পদে
পদায়ন
পেতে
রাজনৈতিক ও
প্রশাসনিক যোগাযোগ ব্যবহার করেছেন
এবং
সরকারি
নির্মাণ প্রকল্পে কমিশন
বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল
সম্পদ
গড়ে
তুলেছেন।
দুদকে জমা
দেওয়া
অভিযোগে আরও
দাবি
করা
হয়েছে,
তাঁর
ও
স্বজনদের নামে
আবাসন,
শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক
আমানত,
ফ্ল্যাট, প্লট
এবং
অন্যান্য সম্পদ
রয়েছে,
যার
উৎস
নিয়ে
প্রশ্ন
রয়েছে। অভিযোগে এসব
সম্পদের বিষয়ে
তদন্তের দাবি
জানানো
হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জ, ভোলা,
ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও
সাভারে
কর্মরত
অবস্থায় বিভিন্ন সরকারি
নির্মাণ প্রকল্প, ভবন
নির্মাণ, মেরামত
ও
টেন্ডার কার্যক্রমে অনিয়ম
এবং
কমিশন
গ্রহণের অভিযোগও উত্থাপন করা
হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি পদায়নকে কেন্দ্র করে
প্রভাব
খাটানো
ও
আর্থিক
লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
এদিকে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যে বদরুল
আলম
খানের
স্ত্রীও তাঁর
ব্যক্তিগত জীবন,
সম্পদের মালিকানা এবং
পারিবারিক বিষয়
নিয়ে
বিভিন্ন অভিযোগ
তুলেছেন। তবে
এসব
অভিযোগের স্বাধীন যাচাই
সম্ভব
হয়নি।
এ পর্যন্ত অভিযোগগুলোর বিষয়ে
কোনো
আদালতের চূড়ান্ত রায়
বা
দুদকের
তদন্ত
প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।
ফলে
অভিযোগগুলোর সত্যতা
আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর বক্তব্য প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন