Ctn Tv
সর্বশেষ
বেলাবোয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন আখতারুজ্জামান

বেলাবোয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সম্প্রীতির বার্তা দিলেন আখতারুজ্জামান

নরসিংদীর বেলাবোয় শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন বেলাব ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম আখতারুজ্জামান। এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান।পরিদর্শনকালে একেএম আখতারুজ্জামান বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক ভালোবাসারও উপলক্ষ।তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জোরদার করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা কৃষক দলের অন্যতম সদস্য মো. নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, বেলাব উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আকাশ মিয়া, বেলাব ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. সাদেক মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জিল মিয়া, বেলাব ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. স্বপন মিয়া এবং যুবদল নেতা আরিফ, সাদ্দাম ও সিদ্দিকসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের সময় আয়োজক ও স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় এলাকায় দুর্গাপূজা ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল।বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা।

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসার পরিবর্তে রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের স্বাস্থ্যনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানো নয়; বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা।সোমবার সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রকৃতপক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রাথমিক ব্যর্থতা নির্দেশ করে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই। আমাদের মূল অগ্রাধিকার হাসপাতাল বৃদ্ধি নয়, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা।’নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মীপ্রচলিত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান ড. এম এ মুহিত।তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। তাঁদের শুধু প্রশিক্ষণই দেওয়া হবে না, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েও প্রস্তুত করা হবে।দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে, যাতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে না হয়। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যায়ে এসব সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকাস্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম বাজেটে হার্টের রিং বা স্টেন্ট, ডায়ালিসিস ফিল্টার, সক্রিয় ওষুধের উপাদান (এপিআই) এবং কৃত্রিম চোখের লেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা উপকরণের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো বা মওকুফ করা হয়েছে।একই সঙ্গে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।চিকিৎসাসামগ্রী আমদানির অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতে যে কমিটির বৈঠক দুই বছরেও হয়নি, গত পাঁচ মাসে সেই কমিটি তিনবার বৈঠক করে চিকিৎসাসামগ্রীর অনুমোদন নিশ্চিত করেছে।চিকিৎসা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের আহ্বানবাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, শুধু উচ্চমূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রি করলেই হবে না। এসব যন্ত্রপাতির জীবনকালীন ব্যয়, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং দেশীয় প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের চিকিৎসা প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা এবং দেশে চিকিৎসা যন্ত্রাংশ সংযোজন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অকেজো পড়ে থাকা চিকিৎসা সরঞ্জামগুলোর কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে তদারকির জন্য জাতীয় ই-হেলথ ও ডিজিটাল মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসায় করপোরেট সহায়তার আহ্বানসুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসাসহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য বৈশ্বিক বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান ড. এম এ মুহিত। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, অ্যামচ্যামের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সেলর পল জি ফ্রস্ট এবং মেডট্রনিক পিএলসি ও ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ওমর ইশরাক।এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন মেডট্রনিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মায়াঙ্ক ত্রিপাঠী, জিই হেলথকেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড ও ডিরেক্টর মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (রোমেল), বেকটন ডিকিনসনের বাংলাদেশ বিজনেস লিডার মির্জা সজীব রায়হান এবং অ্যামচ্যাম হেলথকেয়ার সাবকমিটির ইনচার্জ ডিরেক্টর ও ন্যাটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম রাসেল।

নির্যাতন-সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আহসান হাবিব বিপ্লব

নির্যাতন-সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আহসান হাবিব বিপ্লব

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বেলাব উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আহসান হাবিব বিপ্লব।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, দলীয় আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার এবং আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।আহসান হাবিব বিপ্লব বেলাব উপজেলা বিএনপির একজন পরীক্ষিত ও লড়াকু নেতা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে যাননি।বেলাব উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আহসান হাবিব বিপ্লব স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে পুরো উপজেলা জুড়েই তার জনপ্রিয়তা রয়েছে বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেন।দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা, নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার কারণে আহসান হাবিব বিপ্লব তৃণমূল বিএনপিতে একজন আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বকুলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।তাদের প্রত্যাশা, নতুন দায়িত্বে আহসান হাবিব বিপ্লব মন্ত্রীর সঙ্গে সমন্বয় করে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বেলাবসহ বৃহত্তর এলাকার মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

আড়াই বছর পর নতুন কোম্পানি আসছে পুঁজিবাজারে, সহজ হচ্ছে তালিকাভুক্তি

আড়াই বছর পর নতুন কোম্পানি আসছে পুঁজিবাজারে, সহজ হচ্ছে তালিকাভুক্তি

দীর্ঘ আড়াই বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে দেশের পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির পথ খুলতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি সরাসরি তালিকাভুক্তির নতুন বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজারে আসার সুযোগ বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পুঁজিবাজারে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ারের সরবরাহ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো এবং নতুন বিনিয়োগকারী আকৃষ্ট করার সুযোগ তৈরি হবে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশীয় করপোরেট গ্রুপ ও বহুজাতিক কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।অর্থনীতি বড় হলেও পিছিয়েছে পুঁজিবাজারগত ১৫ বছরে দেশের অর্থনীতির আকার প্রায় দ্বিগুণ হলেও পুঁজিবাজারের আকার বেড়ে ওঠেনি; বরং সংকুচিত হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা। ২০১০ সালের ধসের পর থেকে বাজারটি প্রত্যাশিত গতি ফিরে পায়নি। বর্তমানে বাজারে স্থবিরতার পেছনে অনিয়ম, আইপিও সংকট, সরকারি কোম্পানির শেয়ার ছাড়তে দীর্ঘসূত্রতা এবং সুশাসনের অভাবকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।তাঁদের মতে, বাজারে সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভালো ও মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির তালিকাভুক্তি বাড়ানো জরুরি। এ পরিস্থিতিতে আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ চালুর উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন তাঁরা।তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী এক ডজন কোম্পানিবিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে সরকারি লাভজনক প্রতিষ্ঠান, দীর্ঘদিন ধরে দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী বহুজাতিক কোম্পানি এবং বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ইতোমধ্যে কনফিডেন্স পাওয়ার, টিকে স্টিল, র‌্যাংকস পেট্রোলিয়াম, র‌্যানকম মোটরবাইক লিমিটেড ও ফাইবার অ্যাট হোমসহ ডজনখানেক কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। নতুন বিধিমালার আওতায় এসব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারি ও বিদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোও আইপিওর পরিবর্তে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ পেতে পারে।বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বড় ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো বাজারে এলে শেয়ারের সরবরাহ বাড়বে এবং পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে এ উদ্যোগের সুফল নির্ভর করবে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া, কোম্পানির আর্থিক মান এবং বাজারে সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর।‘সুশাসনের অভাবেই পুঁজিবাজার পিছিয়েছে’পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ আমার দেশ-কে বলেন, ২০১০ সালের ধসের পর বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একধরনের ‘নন-ফাংশনাল মার্কেট’ বা অকার্যকর বাজারে পরিণত হয়েছে, যা কোনোরকমে চলছে। গত ১৫ থেকে ২০ বছরে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ হলেও পুঁজিবাজারের আকার উল্টো অর্ধেকে নেমেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।আবু আহমেদের মতে, এর মূল কারণ সুশাসনের অভাব ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার দুর্বলতা। নতুন কমিশন ভালো কোম্পানি তালিকাভুক্তির যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা বাজারের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটাতে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সাবেক সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, বিএসইসির বর্তমান উদ্যোগের ফলে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলো পুঁজিবাজারে আসবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসার পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগকারীরাও বাজারে যুক্ত হতে পারেন।আইপিও বিধি সংশোধনের উদ্যোগবিএসইসির নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আমার দেশ-কে বলেন, পুঁজিবাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে পাবলিক ইস্যু রুল সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের কাজ চলছে। কোম্পানির সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়টিও কমিশনের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।তিনি আরও বলেন, বন্ড বাজার শক্তিশালী করা এবং করপোরেট বন্ডের প্রবাহ বাড়াতেও কমিশন বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।ঢাকা ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসানুর রহমান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তি প্রায় বন্ধ রয়েছে। বিএসইসির উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তিতে দীর্ঘসূত্রতা কমতে পারে। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি ও বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেওয়া হলে বাজারে মানসম্মত শেয়ারের সরবরাহও বাড়বে। নতুন বিধিমালা ও আইপিও প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি আনার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে বাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তির পাশাপাশি সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসার পরিবর্তে রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের স্বাস্থ্যনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানো নয়; বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা।সোমবার সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রকৃতপক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রাথমিক ব্যর্থতা নির্দেশ করে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই। আমাদের মূল অগ্রাধিকার হাসপাতাল বৃদ্ধি নয়, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা।’নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মীপ্রচলিত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান ড. এম এ মুহিত।তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। তাঁদের শুধু প্রশিক্ষণই দেওয়া হবে না, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েও প্রস্তুত করা হবে।দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে, যাতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে না হয়। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যায়ে এসব সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকাস্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম বাজেটে হার্টের রিং বা স্টেন্ট, ডায়ালিসিস ফিল্টার, সক্রিয় ওষুধের উপাদান (এপিআই) এবং কৃত্রিম চোখের লেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা উপকরণের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো বা মওকুফ করা হয়েছে।একই সঙ্গে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।চিকিৎসাসামগ্রী আমদানির অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতে যে কমিটির বৈঠক দুই বছরেও হয়নি, গত পাঁচ মাসে সেই কমিটি তিনবার বৈঠক করে চিকিৎসাসামগ্রীর অনুমোদন নিশ্চিত করেছে।চিকিৎসা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের আহ্বানবাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, শুধু উচ্চমূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রি করলেই হবে না। এসব যন্ত্রপাতির জীবনকালীন ব্যয়, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং দেশীয় প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের চিকিৎসা প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা এবং দেশে চিকিৎসা যন্ত্রাংশ সংযোজন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অকেজো পড়ে থাকা চিকিৎসা সরঞ্জামগুলোর কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে তদারকির জন্য জাতীয় ই-হেলথ ও ডিজিটাল মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসায় করপোরেট সহায়তার আহ্বানসুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসাসহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য বৈশ্বিক বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান ড. এম এ মুহিত। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, অ্যামচ্যামের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সেলর পল জি ফ্রস্ট এবং মেডট্রনিক পিএলসি ও ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ওমর ইশরাক।এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন মেডট্রনিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মায়াঙ্ক ত্রিপাঠী, জিই হেলথকেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড ও ডিরেক্টর মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (রোমেল), বেকটন ডিকিনসনের বাংলাদেশ বিজনেস লিডার মির্জা সজীব রায়হান এবং অ্যামচ্যাম হেলথকেয়ার সাবকমিটির ইনচার্জ ডিরেক্টর ও ন্যাটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম রাসেল।

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের নই: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

হাসপাতালকেন্দ্রিক চিকিৎসার পরিবর্তে রোগ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের স্বাস্থ্যনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ানো নয়; বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকালমৃত্যু প্রতিরোধ করা।সোমবার সকালে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত ‘স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসা প্রযুক্তির সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রকৃতপক্ষে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রাথমিক ব্যর্থতা নির্দেশ করে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি স্বাস্থ্যের প্রতিমন্ত্রী, হাসপাতালের প্রতিমন্ত্রী নই। আমাদের মূল অগ্রাধিকার হাসপাতাল বৃদ্ধি নয়, বরং তৃণমূল পর্যায় থেকে রোগ, শারীরিক অক্ষমতা ও অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা।’নিয়োগ দেওয়া হবে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মীপ্রচলিত স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান ড. এম এ মুহিত।তিনি বলেন, সরকার ইতিমধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। তাঁদের শুধু প্রশিক্ষণই দেওয়া হবে না, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়েও প্রস্তুত করা হবে।দেশে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা বিভাগীয় পর্যায়ে বিকেন্দ্রীকরণ করা হচ্ছে, যাতে রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ছুটতে না হয়। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ পর্যায়ে এসব সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকাস্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের প্রথম বাজেটে হার্টের রিং বা স্টেন্ট, ডায়ালিসিস ফিল্টার, সক্রিয় ওষুধের উপাদান (এপিআই) এবং কৃত্রিম চোখের লেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা উপকরণের ওপর ভ্যাট ও কর কমানো বা মওকুফ করা হয়েছে।একই সঙ্গে চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।চিকিৎসাসামগ্রী আমদানির অনুমোদনে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতে যে কমিটির বৈঠক দুই বছরেও হয়নি, গত পাঁচ মাসে সেই কমিটি তিনবার বৈঠক করে চিকিৎসাসামগ্রীর অনুমোদন নিশ্চিত করেছে।চিকিৎসা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের আহ্বানবাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, শুধু উচ্চমূল্যের চিকিৎসা সরঞ্জাম বিক্রি করলেই হবে না। এসব যন্ত্রপাতির জীবনকালীন ব্যয়, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং দেশীয় প্রকৌশলী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উন্নত প্রশিক্ষণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের চিকিৎসা প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা এবং দেশে চিকিৎসা যন্ত্রাংশ সংযোজন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।অকেজো পড়ে থাকা চিকিৎসা সরঞ্জামগুলোর কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে তদারকির জন্য জাতীয় ই-হেলথ ও ডিজিটাল মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসায় করপোরেট সহায়তার আহ্বানসুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের চিকিৎসাসহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য বৈশ্বিক বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান ড. এম এ মুহিত। এ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর হোসেন, অ্যামচ্যামের সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সেলর পল জি ফ্রস্ট এবং মেডট্রনিক পিএলসি ও ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. ওমর ইশরাক।এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন মেডট্রনিক বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মায়াঙ্ক ত্রিপাঠী, জিই হেলথকেয়ার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড ও ডিরেক্টর মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান (রোমেল), বেকটন ডিকিনসনের বাংলাদেশ বিজনেস লিডার মির্জা সজীব রায়হান এবং অ্যামচ্যাম হেলথকেয়ার সাবকমিটির ইনচার্জ ডিরেক্টর ও ন্যাটকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-মামুন এম রাসেল।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন