Ctn Tv
সর্বশেষ
এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট

এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট সামাল দিতে গত জুন মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে রেকর্ড ৪ লাখ ১০ হাজার ২০২ কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক মাসের হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তার এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ।বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মানি মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রেপো, স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ও স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) মাধ্যমে এ অর্থ দেওয়া হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনে রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। মে মাসে এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯ হাজার ১০ কোটি টাকা। একই সময়ে স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় দেওয়া হয় ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা, যা মে মাসে ছিল ৪৮ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। আর স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় জুনে দেওয়া হয় ৮০ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা, মে মাসে যা ছিল ৩৭ হাজার ৯৩ কোটি টাকা।ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। জুনে ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা এবং গ্রাহকদের ব্যাপক আমানত উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এতে ব্যাংকটির তারল্য সংকট সামাল দিতে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ব্যাংকগুলো সাধারণত রেপোর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। আর তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির ওপর বেশি নির্ভরশীল।এদিকে জুনে আন্তঃব্যাংক কলমানি বাজারে লেনদেনও বেড়েছে। ওই মাসে এ বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। মে মাসে এ পরিমাণ ছিল ৯১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. এজাজুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা দেওয়া একটি নিয়মিত কার্যক্রম। এসব ঋণ স্বল্পমেয়াদি হওয়ায় মাসজুড়ে দেওয়া অর্থের বড় অংশই নির্ধারিত সময়ে ফেরত আসে। তবে জুনে ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত তারল্য সহায়তা দিতে হয়েছে।  

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ইমিগ্রেশন ছাড়াই ভারতে প্রবেশের অভিযোগ, হাসিনা-রেহানার বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত

ইমিগ্রেশন ছাড়াই ভারতে প্রবেশের অভিযোগ, হাসিনা-রেহানার বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুত

অনলাইন ডেস্ক: ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে দেশত্যাগের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ২০১৩ সালের অভিবাসন-সংক্রান্ত আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে বলে সরকারি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ঢাকার একটি সামরিক বিমানঘাঁটি থেকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি উড়োজাহাজে ভারতে যান। তবে দেশ ছাড়ার আগে তাঁদের নির্ধারিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলে তদন্তে উঠে এসেছে।এ ঘটনায় তদন্ত শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে। এখন মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলায় শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার পাশাপাশি তাঁদের দেশত্যাগে সহায়তাকারীদেরও আসামি করা হতে পারে।তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, অডিও রেকর্ড এবং বিমান চলাচল-সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, নির্ধারিত ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ছাড়া দেশত্যাগ আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।আইনজীবীরা বলছেন, ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া ছাড়াই সীমান্ত অতিক্রমের অভিযোগে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের সংশ্লিষ্ট আইনও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে ভারত শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে কোন আইনি কাঠামোর আওতায় গ্রহণ করেছে, সে বিষয়ে দেশটির কর্তৃপক্ষের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। শেখ রেহানা লন্ডনে বসবাস করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি।জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুর্নীতির মামলায় শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।  

এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট / এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট সামাল দিতে গত জুন মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে রেকর্ড ৪ লাখ ১০ হাজার ২০২ কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক মাসের হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তার এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ।বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মানি মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রেপো, স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ও স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) মাধ্যমে এ অর্থ দেওয়া হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনে রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। মে মাসে এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯ হাজার ১০ কোটি টাকা। একই সময়ে স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় দেওয়া হয় ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা, যা মে মাসে ছিল ৪৮ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। আর স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় জুনে দেওয়া হয় ৮০ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা, মে মাসে যা ছিল ৩৭ হাজার ৯৩ কোটি টাকা।ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। জুনে ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা এবং গ্রাহকদের ব্যাপক আমানত উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এতে ব্যাংকটির তারল্য সংকট সামাল দিতে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ব্যাংকগুলো সাধারণত রেপোর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। আর তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির ওপর বেশি নির্ভরশীল।এদিকে জুনে আন্তঃব্যাংক কলমানি বাজারে লেনদেনও বেড়েছে। ওই মাসে এ বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। মে মাসে এ পরিমাণ ছিল ৯১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. এজাজুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা দেওয়া একটি নিয়মিত কার্যক্রম। এসব ঋণ স্বল্পমেয়াদি হওয়ায় মাসজুড়ে দেওয়া অর্থের বড় অংশই নির্ধারিত সময়ে ফেরত আসে। তবে জুনে ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত তারল্য সহায়তা দিতে হয়েছে।  

এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট / এক মাসে ব্যাংকগুলোকে ৪ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট সামাল দিতে গত জুন মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে রেকর্ড ৪ লাখ ১০ হাজার ২০২ কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক মাসের হিসাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তার এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ।বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মানি মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রেপো, স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ও স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) মাধ্যমে এ অর্থ দেওয়া হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুনে রেপোর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। মে মাসে এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯ হাজার ১০ কোটি টাকা। একই সময়ে স্ট্যান্ডিং লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় দেওয়া হয় ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩২ কোটি টাকা, যা মে মাসে ছিল ৪৮ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। আর স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির আওতায় জুনে দেওয়া হয় ৮০ হাজার ৪৭৩ কোটি টাকা, মে মাসে যা ছিল ৩৭ হাজার ৯৩ কোটি টাকা।ব্যাংক খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুর্বল ব্যাংকগুলো দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। জুনে ইসলামী ব্যাংকে চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে অস্থিরতা এবং গ্রাহকদের ব্যাপক আমানত উত্তোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। এতে ব্যাংকটির তারল্য সংকট সামাল দিতে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী ব্যাংকগুলো সাধারণত রেপোর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে। আর তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংকগুলো স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটির ওপর বেশি নির্ভরশীল।এদিকে জুনে আন্তঃব্যাংক কলমানি বাজারে লেনদেনও বেড়েছে। ওই মাসে এ বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। মে মাসে এ পরিমাণ ছিল ৯১ হাজার ৫৯ কোটি টাকা।বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক ড. এজাজুল ইসলাম বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তারল্য সহায়তা দেওয়া একটি নিয়মিত কার্যক্রম। এসব ঋণ স্বল্পমেয়াদি হওয়ায় মাসজুড়ে দেওয়া অর্থের বড় অংশই নির্ধারিত সময়ে ফেরত আসে। তবে জুনে ইসলামী ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত তারল্য সহায়তা দিতে হয়েছে।  

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন