Ctn Tv
সর্বশেষ
কবি গোলাম মোস্তফার জানাজায় ইমামতি করেছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

কবি গোলাম মোস্তফার জানাজায় ইমামতি করেছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

বাংলা সাহিত্যে ইসলামী সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে কবি গোলাম মোস্তফার অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর সাহিত্যকর্মের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন ভাষাবিদ ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। তাঁদের সম্পর্ক ছিল সাহিত্য ও জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি ব্যক্তিগত স্নেহ-শ্রদ্ধারও।ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্মৃতিচারণ থেকে জানা যায়, ১৯১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে কলকাতার মোসলেম ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সম্মিলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে তিনি সভাপতিত্ব করেছিলেন। ওই সভায় গোলাম মোস্তফা ‘কবি ও বৈজ্ঞানিক’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন।প্রবন্ধটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এতটাই ভালো লেগেছিল যে তিনি নিজের গলার হার খুলে গোলাম মোস্তফার গলায় পরিয়ে দেন। পরে প্রবন্ধটি ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’র প্রথম বর্ষের প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। সংখ্যাটি ছিল বৈশাখ, ১৩২৫।কবি ও বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধের উপসংহারে গোলাম মোস্তফা কবিতার সৌন্দর্য উপলব্ধির বিষয়ে লিখেছিলেনমোটের উপর কবির কবিতা বুঝিতে হইলে কবির মত হইয়া বুঝিতে হইবে। বৈজ্ঞানিকের সার্চলাইট (Search-light) দ্বারা কবিতার সৌন্দর্য্য দেখিতে গেলে, সৌন্দর্য্য ধরা পড়িবে না উহাতে সৌন্দর্যের বিলোপ সাধন করা হইবে মাত্র।তিনি উদাহরণ দিয়ে বোঝান, কোনো সৌন্দর্যকে খণ্ড খণ্ড করে বিশ্লেষণ করলে তার সামগ্রিক সৌন্দর্য অনেক সময় উপলব্ধি করা যায় না। কবিতার ক্ষেত্রেও সৌন্দর্যকে সামগ্রিকভাবে উপলব্ধি করার কথা বলেন তিনি।সাহিত্য পত্রিকায় গোলাম মোস্তফাবঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’র প্রথম বর্ষেই গোলাম মোস্তফার বউ কথা কও কবিতা প্রকাশিত হয়।পরবর্তী সংখ্যাগুলোতেও তাঁর একাধিক কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।দ্বিতীয় বর্ষে (১৩২৬) প্রকাশিত হয় ‘আনোয়ারা’ এবং ‘প্রেমের সাধনা’। ‘আনোয়ারা’ ছিল পণ্ডিত নজিবুর রহমানের ‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের সমালোচনা।তৃতীয় বর্ষে (১৩২৭) প্রকাশিত হয় ইসলাম প্রচার, ‘ভূষণ’, ‘মরুর মহিমা’ ও ‘শিরচ্ছেদ’। ইসলাম প্রচার’ রচনাটি টি. ডব্লিউ. আর্নল্ডের The Preaching of Islam অবলম্বনে লেখা।চতুর্থ বর্ষে (১৩২৮) প্রকাশিত হয় ‘নববর্ষে’, ‘পরপারের কামনা’ ও ‘প্রার্থনা’।ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৩২৭ সাল পর্যন্ত ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা’র যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। অন্য সম্পাদক ছিলেন ভোলার কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। পরে ড. শহীদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার পদে যোগ দিয়ে ঢাকায় চলে গেলে ১৩২৮ সালে মোজাম্মেল হক এককভাবে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।আল-এসলাম-এও প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর লেখা১৩২২ থেকে ১৩২৬ সাল পর্যন্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ‘আল-এসলাম’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ওই সময় পত্রিকাটির বিভিন্ন সংখ্যায় গোলাম মোস্তফার বেশ কিছু কবিতা ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।১৩২৩ সালের দ্বিতীয় ভাগে প্রকাশিত কবিতাগুলোর মধ্যে ছিল ‘আজান’, এসগ্রাম’, ‘করুণা-নির্ভর, নারীর প্রতি, বর্ষ-বিদায় ও মিছে চাওয়া।১৩২৪ সালের তৃতীয় ভাগে প্রকাশিত হয় ‘ঈদের চাঁদ’, ‘নববর্ষে’, ‘পল্লীবালা’ ও ‘পিতা-পুত্র’।১৩২৫ সালের চতুর্থ ভাগে প্রকাশিত হয় ‘অপ্রকাশ’, ‘রাবেয়ার প্রার্থনা’, ‘ছোট’র আহ্বান’, ‘পল্লী-বালিকার কলিকাতা বিরাগ’ ও ‘বঙ্গনারী’।১৩২৬ সালের পঞ্চম ভাগে প্রকাশিত হয় ‘অভাগী’, ‘দয়াময়’, ‘বাল্যস্মৃতি’ ও ‘মায়াবী’।এ ছাড়া ‘আল-এসলাম’-এর তৃতীয় ভাগে তাঁর দুটি প্রবন্ধ‘ এসলাম জগৎ’ ও ‘এসলামের স্বরূপ’ প্রকাশিত হয়েছিল।এর মধ্যে ‘পল্লী-বালিকার কলিকাতা বিরাগ’ কবিতাটি পরে তাঁর ‘বুলবুলিস্তান’ গ্রন্থে স্থান পায়।বিশ্বনবী উপহার দিয়েছিলেন শহীদুল্লাহকেগোলাম মোস্তফার ‘বিশ্বনবী’ প্রকাশের সময় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্রের বিবাহ উপলক্ষে চুঁচুড়ায় গিয়েছিলেন। তখন গোলাম মোস্তফা হুগলী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক।ড. শহীদুল্লাহর স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, গোলাম মোস্তফা তাঁকে বইটি উপহার দিয়ে বলেছিলেন, এই সর্বপ্রথম আপনাকে বইখানি উপহার দিলাম।বইটির সঙ্গে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর একটি প্রশংসাপত্রও সংযুক্ত করেছিলেন গোলাম মোস্তফা।ইসলামী সাহিত্যে অবদানড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করতেন, বাংলা ভাষায় অনেক মুসলমান লেখক ও কবি থাকলেও ইসলামী সাহিত্য রচনায় গোলাম মোস্তফার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।তাঁর শেষদিকের সাহিত্যিক অবদানের মধ্যে ছিল বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের আদেশে হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর জীবনী রচনা।গোলাম মোস্তফার লেখা না’তে রাসুলও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বিভিন্ন সভায় শুনেছিলেন। এর মধ্যে ছিললা-ইলাহ ইল্লাল্লাহু মোহাম্মদ রসুল এই কলেমা পড়রে আমার পরাণ বুলবুল...আরেকটি কবিতার পঙ্‌ক্তি ছিলতুমি যে নূরের রবি নিখিলের ধ্যানের ছবি তুমি না এলে দুনিয়ায় আঁধারে ডুবিত সবি...এসব কবিতা শুনে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ গোলাম মোস্তফার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, আল্লাহ রাহমানুর রাহিম তাঁর নবীভক্ত ও ইসলামসেবী কবি গোলাম মোস্তফার রূহের মাগফিরাত করে তাঁকে জান্নাতে উচ্চস্থান দেবেন।জানাজায় ইমামতি করেছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর স্মৃতিচারণে গোলাম মোস্তফার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টিও উঠে এসেছে।তিনি লিখেছিলেন, গোলাম মোস্তফা সাহেব আমার ছোট ভাইয়ের ন্যায় ছিলেন।সেই সম্পর্কের শেষ অধ্যায়টি ছিল আরও আবেগপূর্ণ। কবি গোলাম মোস্তফার মৃত্যুর পর তাঁর জানাজায় ইমামতি করেছিলেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। তাঁর দাফনেও তিনি অংশ নিয়েছিলেন।সাহিত্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই মনীষীর এই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বাংলা সাহিত্য ও মুসলিম সাহিত্যচর্চার ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হয়ে আছে। লেখক পরিচিতি: মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ইতিহাস চর্চা পরিষদ

নিউরোসায়েন্সেসে যুক্ত হচ্ছে ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

নিউরোসায়েন্সেসে যুক্ত হচ্ছে ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিনস) যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা। ১৫ আগস্ট শনিবার সকাল ১০টায় হাসপাতালের নতুন ভবনটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।নতুন ভবনটি চালু হলে হাসপাতালটির মোট শয্যাসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১ হাজারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে দেশে স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় অন্যতম বৃহৎ বিশেষায়িত কেন্দ্র হিসেবে হাসপাতালটির সক্ষমতা আরও বাড়বে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ভবনের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। অধিকাংশ চিকিৎসা সরঞ্জামও স্থাপন করা হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন ভবনটি ১৫ তলা। এর নিচের তিনটি তলা বেজমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। সেখানে পার্কিং ও সার্ভিস সেকশন রয়েছে। ওপরের ১২ তলায় রয়েছে ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক ইউনিট।নতুন ভবনে রয়েছে ৪০ শয্যার আইসিইউ, ২০ শয্যার এইচডিইউ, ২৪টি পোস্ট-অপারেটিভ বেড এবং ১১২টি কেবিন। রয়েছে ৬২টি ভেন্টিলেটর, একটি ক্যাথল্যাব, দুটি এমআরআই ও দুটি সিটি স্ক্যান মেশিন।ট্রমা রোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসড়ক দুর্ঘটনা, উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া কিংবা যানবাহন দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে ১০০ শয্যার বিশেষায়িত ট্রমা ইউনিট। এখানে ২৪ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের সুবিধা থাকবে।চারটি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে দুটি মডুলার ওটি। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জার্মান প্রযুক্তির এসব অপারেশন থিয়েটারে নিয়ন্ত্রিত ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশে অস্ত্রোপচার করা যাবে, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।নতুন ভবনটিতে পুরোপুরি সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি কোনো চিকিৎসাকেন্দ্রে এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থার সংযোজন এটিই প্রথম।এ ছাড়া রোগী এক তলা থেকে অন্য তলায় স্থানান্তরের সুবিধায় প্রথম থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত স্কেলেটর রয়েছে। পঙ্গু ও মাথায় আঘাত পাওয়া রোগীদের স্থানান্তরের ঝুঁকি কমাতেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।স্ট্রোক রোগীর চাপ বেশিহাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে সবচেয়ে বেশি চিকিৎসা নিতে আসেন স্ট্রোকের রোগীরা। এরপর রয়েছে দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া রোগী।এ ছাড়া পার্কিনসন, ডিমেনশিয়া, গিলেন-ব্যারে সিনড্রোম (জিবিএস), মৃগী ও হাইড্রোকেফালাসসহ বিভিন্ন স্নায়ুরোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সী রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।নতুন ভবনে রয়েছে অত্যাধুনিক অটোক্লেভ মেশিন, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সলিড ওয়েস্ট ডিসপোজাল সিস্টেম এবং পৃথক অক্সিজেন প্ল্যান্ট।রোগী আর ফেরত দিতে হবে নান্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, নতুন ভবন চালু হলে হাসপাতালের সঙ্গে আরও ৫০০ শয্যা যুক্ত হবে।তিনি বলেন, “বর্তমানে শয্যাসংকটের কারণে বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে ফিরিয়ে দিতে হয়। কারণ শয্যার বাইরে কোনো রোগী ভর্তি করা হয় না। উদ্বোধনের পর আমরা আরও অনেক রোগীকে বিশ্বমানের সেবা দিতে পারব। রোগীকে আর ফেরত দিতে হবে না।”পরিচালক আরও বলেন, দেশে নিউরো রোগীদের চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তাঁর জন্মদিনে তাঁর ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন ভবনের উদ্বোধন করবেন বলে জানান তিনি।

কায়ুমের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্বে ফয়সাল হোসাইন

কায়ুমের রাজনৈতিক সচিবের দায়িত্বে ফয়সাল হোসাইন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মাইক্রো ক্রেডিট বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. ফয়সাল হোসাইন। ১২ নভেম্বর ২০২৫ দেওয়া নিয়োগপত্র অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তাঁর দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে। নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়ে ড. এম এ কায়ুমকে সহযোগিতা করবেন ফয়সাল। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মী, নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি ও সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয়, সভা আয়োজন, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় পর্যবেক্ষণের দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সততা, পেশাদারিত্ব, গোপনীয়তা ও নিষ্ঠা বজায় রাখার নির্দেশনা রয়েছে। একই সঙ্গে ড. এম এ কায়ুমের পক্ষে বক্তব্য, সিদ্ধান্ত বা কোনো প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ক্ষমতার সীমা অনুসরণের কথা বলা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ফয়সাল হোসাইনের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-১১ আসনকেন্দ্রিক বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয় ছিলেন।নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে ফয়সাল হোসাইন বলেন, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে চাই। ড. এম এ কায়ুমের রাজনৈতিক কার্যক্রমে সহযোগিতার পাশাপাশি নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখব।ড. এম এ কায়ুম বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সমন্বয়, যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততা গুরুত্বপূর্ণ। ফয়সালকে দায়িত্ব দেওয়ার লক্ষ্য হলো সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত করা। আশা করি, তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। ফয়সালের নতুন দায়িত্বকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, তাঁর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা রাজনৈতিক যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

খেলাপি ঋণ আদায়ে বেক্সিমকোর ২৬ একর সম্পত্তি নিলামে রূপালী ব্যাংক

খেলাপি ঋণ আদায়ে বেক্সিমকোর ২৬ একর সম্পত্তি নিলামে রূপালী ব্যাংক

খেলাপি ঋণ আদায়ে বেক্সিমকো লিমিটেডের বন্ধক রাখা প্রায় ২৬ একর জমি ও সম্পত্তি নিলামে তুলছে রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক। গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে থাকা এসব সম্পত্তি বিক্রি করে প্রায় ১৯১ কোটি টাকা ঋণ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।রূপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেক্সিমকো টেক্সটাইলের কাছে ব্যাংকটির সর্বশেষ পাওনা ১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকা। এর মধ্যে অনাদায়ী সুদ অন্তর্ভুক্ত নয়। ব্যাংকের পাওনা, অন্যান্য খরচ ও আদালতের সুদসহ অর্থ আদায়ের জন্য বন্ধক রাখা সম্পত্তিগুলো বর্তমান অবস্থায় নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে ঋণগ্রহীতা হিসেবে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের (বেক্সিমকো লিমিটেড) নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আগে বেক্সটেক্স লিমিটেড নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে পদ্মা টেক্সটাইল মিলস ও বেক্সিমকো নিটিং এর সঙ্গে একীভূত হয়।নিলাম তালিকায় গাজীপুরের জয়দেবপুর, কালিয়াকৈর, কাপাসিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার জমি রয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুরের সরাবো মৌজায় ৮ দশমিক ৫৫ একর জমি রয়েছে। অন্য তফসিলগুলোতে ২ দশমিক ১৯ একর, ৩ দশমিক ৬৬ একর এবং বিভিন্ন পরিমাণ শতাংশ জমির বিবরণ দেওয়া হয়েছে।নারায়ণগঞ্জের তারাবো ও যাত্রামুড়া মৌজার সম্পত্তিও রয়েছে নিলামের তালিকায়। তারাবোর দুটি অংশে ৮ দশমিক ৩৯ একর এবং যাত্রামুড়ায় ৯ দশমিক ২ একর জমি রয়েছে। গাজীপুরের ৮ দশমিক ৫৫ একরসহ তফসিলভুক্ত মোট জমির পরিমাণ ২৫ দশমিক ৯৬ একর।নিলামে অংশ নিতে আগ্রহীদের আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ২টার মধ্যে নির্ধারিত কার্যালয়ে দরপত্র জমা দিতে হবে। একই দিন বেলা ২টা ৫ মিনিটে দরপত্রদাতাদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হবে।নিলামে অংশগ্রহণকারীদের প্রস্তাবিত মূল্যের ওপর নির্ধারিত হারে জামানত দিতে হবে। ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দর হলে ২০ শতাংশ, ১০ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ এবং ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে ১০ শতাংশ হারে জামানত দিতে হবে। সম্পত্তির প্রস্তাবিত মূল্য অস্বাভাবিকভাবে কম বা অপর্যাপ্ত মনে হলে কর্তৃপক্ষ দরপত্র বাতিল করতে পারবে।বেক্সিমকো লিমিটেডের কোম্পানি সেক্রেটারি আসাদ উল্লাহ বলেন, রূপালী ব্যাংকের নিলাম সম্পর্কে তিনি জানেন না। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত কোম্পানিটি ঋণখেলাপি ছিল না। এরপর কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা কমে গেছে।বেক্সিমকোর আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির দীর্ঘমেয়াদি ঋণের মধ্যে রূপালী ব্যাংকের ছিল ৪৮২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। তবে বর্তমান নিলাম বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা ১৯০ কোটি ৯২ লাখ টাকাই এই নিলাম প্রক্রিয়ার পাওনা।অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেবেচিন্তেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে নিলামে সম্পত্তির সঠিক মূল্য না পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর মতে, ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান হওয়াই ভালো।

শাহজালালে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, তিন মাসে ১৫০ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

শাহজালালে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, তিন মাসে ১৫০ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য চোরাচালান ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনসকেও।সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরে স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য আটকের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মশিউর রহমান।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে বুধবার রাত ১০টার দিকে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি ফ্লাইট থেকে ৯ কেজির বেশি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।চোরাচালান ঠেকাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছেসংবাদ সম্মেলনে কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কাস্টমসের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও এ কাজে যুক্ত রয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চোরাকারবারীরা বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করে। তবে শক্তিশালী নজরদারির কারণে তাদের আটক করা সম্ভব হচ্ছে।তিন মাসে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দকাস্টমস সূত্র জানায়, গত তিন মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক কয়েকটি চালানে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ দিবাগত রাতে বিমানবন্দর থেকে প্রায় ১৮ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের বিজি ৩৪৮ ফ্লাইটের কার্গো কম্পার্টমেন্টের টয়লেটের প্যানেলের ভেতরে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় স্বর্ণগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।ওই চালানে ১৫৩টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। এগুলোর মোট ওজন ১৭ কেজি ৯০১ গ্রাম। ২৪ ক্যারেটের এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।এরপর গত ২ জুলাই একই ধরনের আরেকটি চালান আটক করা হয়। দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট থেকে ১৮ কেজি ৭২০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ওই স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।গত ১৯ জুলাই কার্গো ভিলেজে ফলের ক্যারেটের ভেতর থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়।সর্বশেষ গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি ফ্লাইট থেকে ৯ কেজির বেশি স্বর্ণ জব্দ করা হয়। এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।প্রতিদিনই আটক হচ্ছে অবৈধ পণ্যশুধু স্বর্ণ নয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিষিদ্ধ ক্রিম, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, সিগারেটসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্যও আটক করা হচ্ছে। কাস্টমস সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসব পণ্যের মধ্যে প্রতিদিনই কোটি কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ পণ্য জব্দের ঘটনা ঘটছে।

নিউরোসায়েন্সেসে যুক্ত হচ্ছে ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

নিউরোসায়েন্সেসে যুক্ত হচ্ছে ৫০০ শয্যা, উদ্বোধন শনিবার

রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিনস) যুক্ত হচ্ছে আরও ৫০০ শয্যা। ১৫ আগস্ট শনিবার সকাল ১০টায় হাসপাতালের নতুন ভবনটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।নতুন ভবনটি চালু হলে হাসপাতালটির মোট শয্যাসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১ হাজারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে দেশে স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় অন্যতম বৃহৎ বিশেষায়িত কেন্দ্র হিসেবে হাসপাতালটির সক্ষমতা আরও বাড়বে।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন ভবনের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। অধিকাংশ চিকিৎসা সরঞ্জামও স্থাপন করা হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন ভবনটি ১৫ তলা। এর নিচের তিনটি তলা বেজমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হবে। সেখানে পার্কিং ও সার্ভিস সেকশন রয়েছে। ওপরের ১২ তলায় রয়েছে ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক ইউনিট।নতুন ভবনে রয়েছে ৪০ শয্যার আইসিইউ, ২০ শয্যার এইচডিইউ, ২৪টি পোস্ট-অপারেটিভ বেড এবং ১১২টি কেবিন। রয়েছে ৬২টি ভেন্টিলেটর, একটি ক্যাথল্যাব, দুটি এমআরআই ও দুটি সিটি স্ক্যান মেশিন।ট্রমা রোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাসড়ক দুর্ঘটনা, উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া কিংবা যানবাহন দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে ১০০ শয্যার বিশেষায়িত ট্রমা ইউনিট। এখানে ২৪ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের সুবিধা থাকবে।চারটি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে দুটি মডুলার ওটি। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জার্মান প্রযুক্তির এসব অপারেশন থিয়েটারে নিয়ন্ত্রিত ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশে অস্ত্রোপচার করা যাবে, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।নতুন ভবনটিতে পুরোপুরি সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি কোনো চিকিৎসাকেন্দ্রে এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ সেন্ট্রাল এসি ব্যবস্থার সংযোজন এটিই প্রথম।এ ছাড়া রোগী এক তলা থেকে অন্য তলায় স্থানান্তরের সুবিধায় প্রথম থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত স্কেলেটর রয়েছে। পঙ্গু ও মাথায় আঘাত পাওয়া রোগীদের স্থানান্তরের ঝুঁকি কমাতেই এই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।স্ট্রোক রোগীর চাপ বেশিহাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে সবচেয়ে বেশি চিকিৎসা নিতে আসেন স্ট্রোকের রোগীরা। এরপর রয়েছে দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া রোগী।এ ছাড়া পার্কিনসন, ডিমেনশিয়া, গিলেন-ব্যারে সিনড্রোম (জিবিএস), মৃগী ও হাইড্রোকেফালাসসহ বিভিন্ন স্নায়ুরোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সী রোগীর চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।নতুন ভবনে রয়েছে অত্যাধুনিক অটোক্লেভ মেশিন, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সলিড ওয়েস্ট ডিসপোজাল সিস্টেম এবং পৃথক অক্সিজেন প্ল্যান্ট।রোগী আর ফেরত দিতে হবে নান্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে বলেন, নতুন ভবন চালু হলে হাসপাতালের সঙ্গে আরও ৫০০ শয্যা যুক্ত হবে।তিনি বলেন, “বর্তমানে শয্যাসংকটের কারণে বাধ্য হয়ে অনেক রোগীকে ফিরিয়ে দিতে হয়। কারণ শয্যার বাইরে কোনো রোগী ভর্তি করা হয় না। উদ্বোধনের পর আমরা আরও অনেক রোগীকে বিশ্বমানের সেবা দিতে পারব। রোগীকে আর ফেরত দিতে হবে না।”পরিচালক আরও বলেন, দেশে নিউরো রোগীদের চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তাঁর জন্মদিনে তাঁর ছেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন ভবনের উদ্বোধন করবেন বলে জানান তিনি।

অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন