জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে কেরানীগঞ্জের ৭ একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা এবং আবাসন বৃত্তির বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করে এসব দাবি জানানো হয়।মানববন্ধনে জকসুর নেতারা বলেন, আবাসিক সুবিধা না থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে পুরান ঢাকার বিভিন্ন মেস ও বাসাবাড়িতে থাকতে হচ্ছে। এতে তাঁদের বাড়তি খরচ ও নানা ভোগান্তি হচ্ছে।
জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান
বলেন,
৭
একর
জমিতে
২০২৬
সালের
মধ্যে
১
হাজার
৬০০
শিক্ষার্থীর আবাসনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা করতে
হবে।
আবাসন
বৃত্তির জন্য
বরাদ্দ
৫৬
কোটি
টাকার
মধ্যে
বাকি
৪৬
কোটি
টাকা
দ্রুত
শিক্ষার্থীদের দিতে
হবে।
জকসুর শিক্ষা
ও
গবেষণা
সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল
বলেন,
অর্থ
পাওয়ার
পর
প্রশাসন চাইলে
তিন-চার মাসের মধ্যে
অস্থায়ী আবাসন
নির্মাণ করতে
পারত।
কিন্তু
এখনো
কোনো
সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেওয়া
হয়নি।
জকসুর এজিএস
মাসুদ
রানা
অভিযোগ
করেন,
প্রশাসনের গড়িমসির কারণে
শিক্ষার্থীদের আবারও
আন্দোলনে নামতে
হয়েছে।
দাবি
পূরণ
না
হওয়া
পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে
যাওয়ার
কথা
জানান
তিনি।
জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও এক বছর পরও বকেয়া অর্থ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি। ৭ একর জমিতে তিন মাসের মধ্যে অস্থায়ী আবাসন চালুর কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। শিক্ষার্থীদের আবাসনের স্বার্থে জমির কোনো অংশ ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে কেরানীগঞ্জের ৭ একর জমিতে ২০২৬ সালের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা এবং আবাসন বৃত্তির বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রফিক ভবনের সামনে মানববন্ধন করে এসব দাবি জানানো হয়।মানববন্ধনে জকসুর নেতারা বলেন, আবাসিক সুবিধা না থাকায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে পুরান ঢাকার বিভিন্ন মেস ও বাসাবাড়িতে থাকতে হচ্ছে। এতে তাঁদের বাড়তি খরচ ও নানা ভোগান্তি হচ্ছে।
জকসুর সমাজসেবা সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান
বলেন,
৭
একর
জমিতে
২০২৬
সালের
মধ্যে
১
হাজার
৬০০
শিক্ষার্থীর আবাসনের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা করতে
হবে।
আবাসন
বৃত্তির জন্য
বরাদ্দ
৫৬
কোটি
টাকার
মধ্যে
বাকি
৪৬
কোটি
টাকা
দ্রুত
শিক্ষার্থীদের দিতে
হবে।
জকসুর শিক্ষা
ও
গবেষণা
সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল
বলেন,
অর্থ
পাওয়ার
পর
প্রশাসন চাইলে
তিন-চার মাসের মধ্যে
অস্থায়ী আবাসন
নির্মাণ করতে
পারত।
কিন্তু
এখনো
কোনো
সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দেওয়া
হয়নি।
জকসুর এজিএস
মাসুদ
রানা
অভিযোগ
করেন,
প্রশাসনের গড়িমসির কারণে
শিক্ষার্থীদের আবারও
আন্দোলনে নামতে
হয়েছে।
দাবি
পূরণ
না
হওয়া
পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে
যাওয়ার
কথা
জানান
তিনি।
জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও এক বছর পরও বকেয়া অর্থ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছায়নি। ৭ একর জমিতে তিন মাসের মধ্যে অস্থায়ী আবাসন চালুর কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। শিক্ষার্থীদের আবাসনের স্বার্থে জমির কোনো অংশ ছেড়ে দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন