বার্তা সংস্থা
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী
মাসে যুক্তরাজ্যে বইটি প্রকাশ করবে
পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মাইকেল জোসেফ। পরে বিশ্বের অন্যান্য
দেশেও বইটি প্রকাশ করা
হবে।
বইটিতে ডায়ানার
জীবন, তাঁর সঙ্গে ভাইয়ের
সম্পর্ক এবং বোনকে ঘিরে
চার্লস স্পেন্সারের ব্যক্তিগত স্মৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে
ধরা হবে। স্পেন্সারের ভাষ্য,
সময়ের সঙ্গে ডায়ানাকে নিয়ে নানা ভুল
তথ্য মানুষের কাছে সত্য হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিজের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে
এবার বোনের জীবনের গল্প তুলে ধরতে
চান তিনি।
এক বিবৃতিতে
স্পেন্সার জানান, ডায়ানাকে নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার
অনুরোধ তিনি নিয়মিতই পান।
একই সঙ্গে বোনকে নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন
মতামতের কিছু অংশ তাঁর
কাছে অস্বস্তিকর মনে হয়। তাঁর
মতে, এসব বক্তব্যের অনেকটাই
সত্য নয়। এ কারণেই
নিজের চিন্তা ও স্মৃতিগুলো বইয়ের
মাধ্যমে একবারের জন্য তুলে ধরার
সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
১৯৮১ সালে
তৎকালীন প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিয়ের পর বিশ্বজুড়ে পরিচিতি
পান ডায়ানা। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হওয়ার পর অল্প সময়ের
মধ্যেই তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়
হয়ে ওঠেন। একসময় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আলোকচিত্রীদের নজরে
থাকা নারীদের একজন ছিলেন তিনি।
তবে সময়ের
সঙ্গে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্যজীবনে টানাপড়েন
তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের সংকটের
পর ১৯৯৬ সালে তাঁদের
বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর এক
বছর পর, ১৯৯৭ সালের
আগস্টে প্যারিসে গাড়ি দুর্ঘটনায় মাত্র
৩৬ বছর বয়সে মারা
যান ডায়ানা।
ডায়ানার মৃত্যুর
পরও তাঁকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে মানুষের
আগ্রহ কমেনি। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, ব্যক্তিগত
জীবন ও মৃত্যুর নানা
দিক নিয়ে এখনো আলোচনা
হয়।
ডায়ানার শেষকৃত্যে
চার্লস স্পেন্সারের দেওয়া বক্তব্যও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। ওই বক্তব্যে তিনি
রাজপরিবারের সমালোচনা করে বোনের পক্ষে
অবস্থান নিয়েছিলেন।
নতুন বইয়েও
ডায়ানার জীবনকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরতে
চান স্পেন্সার। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের প্রকাশনা পরিচালক ড্যানিয়েল বানইয়ার্ড বইটিকে ‘ঐতিহাসিক গুরুত্বের’ কাজ
হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ডায়ানাকে নিয়ে এর আগে অসংখ্য বই ও তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর নিজের ভাইয়ের স্মৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা বইটি পাঠকদের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
বার্তা সংস্থা
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী
মাসে যুক্তরাজ্যে বইটি প্রকাশ করবে
পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান মাইকেল জোসেফ। পরে বিশ্বের অন্যান্য
দেশেও বইটি প্রকাশ করা
হবে।
বইটিতে ডায়ানার
জীবন, তাঁর সঙ্গে ভাইয়ের
সম্পর্ক এবং বোনকে ঘিরে
চার্লস স্পেন্সারের ব্যক্তিগত স্মৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে
ধরা হবে। স্পেন্সারের ভাষ্য,
সময়ের সঙ্গে ডায়ানাকে নিয়ে নানা ভুল
তথ্য মানুষের কাছে সত্য হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিজের স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে
এবার বোনের জীবনের গল্প তুলে ধরতে
চান তিনি।
এক বিবৃতিতে
স্পেন্সার জানান, ডায়ানাকে নিয়ে সাক্ষাৎকার দেওয়ার
অনুরোধ তিনি নিয়মিতই পান।
একই সঙ্গে বোনকে নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন
মতামতের কিছু অংশ তাঁর
কাছে অস্বস্তিকর মনে হয়। তাঁর
মতে, এসব বক্তব্যের অনেকটাই
সত্য নয়। এ কারণেই
নিজের চিন্তা ও স্মৃতিগুলো বইয়ের
মাধ্যমে একবারের জন্য তুলে ধরার
সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
১৯৮১ সালে
তৎকালীন প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে বিয়ের পর বিশ্বজুড়ে পরিচিতি
পান ডায়ানা। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হওয়ার পর অল্প সময়ের
মধ্যেই তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়
হয়ে ওঠেন। একসময় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আলোকচিত্রীদের নজরে
থাকা নারীদের একজন ছিলেন তিনি।
তবে সময়ের
সঙ্গে প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্যজীবনে টানাপড়েন
তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের সংকটের
পর ১৯৯৬ সালে তাঁদের
বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর এক
বছর পর, ১৯৯৭ সালের
আগস্টে প্যারিসে গাড়ি দুর্ঘটনায় মাত্র
৩৬ বছর বয়সে মারা
যান ডায়ানা।
ডায়ানার মৃত্যুর
পরও তাঁকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে মানুষের
আগ্রহ কমেনি। ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, ব্যক্তিগত
জীবন ও মৃত্যুর নানা
দিক নিয়ে এখনো আলোচনা
হয়।
ডায়ানার শেষকৃত্যে
চার্লস স্পেন্সারের দেওয়া বক্তব্যও ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। ওই বক্তব্যে তিনি
রাজপরিবারের সমালোচনা করে বোনের পক্ষে
অবস্থান নিয়েছিলেন।
নতুন বইয়েও
ডায়ানার জীবনকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরতে
চান স্পেন্সার। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের প্রকাশনা পরিচালক ড্যানিয়েল বানইয়ার্ড বইটিকে ‘ঐতিহাসিক গুরুত্বের’ কাজ
হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ডায়ানাকে নিয়ে এর আগে অসংখ্য বই ও তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয়েছে। তবে তাঁর নিজের ভাইয়ের স্মৃতি ও দৃষ্টিভঙ্গিতে লেখা বইটি পাঠকদের মধ্যে নতুন আগ্রহ তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন