ডেমরা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সরকারি দায়িত্ব পালন ও নামজারি কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ও একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের পক্ষ।
প্রতিবাদে বলা হয়েছে, ‘আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যেই নামজারি, পরে আপিলে বাতিল আদেশ বাস্তবায়নে গড়িমসির অভিযোগ’ এবং
‘স্থগিতাদেশের পরও নামজারি! ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রার রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ’ শিরোনামের
প্রতিবেদন দুটি একপেশে, বিভ্রান্তিকর
ও যথাযথ তথ্য-উপাত্ত যাচাই
ছাড়া প্রকাশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের দাবি, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি
সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ, অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও
রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছেন। সরেজমিন
অভিযান চালিয়ে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের পর সাইনবোর্ড স্থাপন
করা হলেও পরে তা
রাতের আঁধারে সরিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি জানান।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়,
একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরকারি সম্পত্তি
উদ্ধারের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর
তথ্য দিচ্ছে। পাশাপাশি অপসাংবাদিকতার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি ও
আর্থিক সুবিধা দাবির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা
তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার
মাধ্যমে নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড বলেন, ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। সব বাধা অতিক্রম করে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে কাজ করে যাব।
এ
ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সরকারি নথি,
আদালতের আদেশ ও সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তার বক্তব্য যাচাই করে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের
আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অপপ্রচার
ও চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেমরা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সরকারি দায়িত্ব পালন ও নামজারি কার্যক্রম নিয়ে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ও একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের পক্ষ।
প্রতিবাদে বলা হয়েছে, ‘আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যেই নামজারি, পরে আপিলে বাতিল আদেশ বাস্তবায়নে গড়িমসির অভিযোগ’ এবং
‘স্থগিতাদেশের পরও নামজারি! ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রার রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ’ শিরোনামের
প্রতিবেদন দুটি একপেশে, বিভ্রান্তিকর
ও যথাযথ তথ্য-উপাত্ত যাচাই
ছাড়া প্রকাশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের দাবি, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি
সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ, অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও
রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছেন। সরেজমিন
অভিযান চালিয়ে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের পর সাইনবোর্ড স্থাপন
করা হলেও পরে তা
রাতের আঁধারে সরিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি জানান।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়,
একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরকারি সম্পত্তি
উদ্ধারের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর
তথ্য দিচ্ছে। পাশাপাশি অপসাংবাদিকতার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি ও
আর্থিক সুবিধা দাবির অভিযোগও রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা
তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার
মাধ্যমে নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড বলেন, ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। সব বাধা অতিক্রম করে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে কাজ করে যাব।
এ
ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সরকারি নথি,
আদালতের আদেশ ও সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তার বক্তব্য যাচাই করে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের
আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অপপ্রচার
ও চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন