গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কার্যালয়ে এ ভাঙচুর করা হয়।
ফুলছড়ি উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর কার্যালয়ে ভাঙচুরের
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় একাধিক
সূত্র জানায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার
দুপুর ১টার দিকে নিয়োগে
অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা চত্বরে
বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এ
সময় তাঁরা প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফল বাতিলের দাবি জানান। একপর্যায়ে
বিক্ষোভকারীরা উপজেলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠে ইউএনওর
কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
ভাঙচুরের সময় কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল, ফুলের টব ও জানালার
কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে বিক্ষোভকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও
প্রথমে তা ব্যর্থ হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ফুলছড়ি উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেন।
তবে এ
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফুলছড়ি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন জয়। তিনি বলেন,
ইউএনও প্রকাশিত ফলাফলে ‘ফ্যাসিস্টদের’ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে—এমন অভিযোগের প্রতিবাদে
তাঁরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছেন। সেখানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী
সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন।
তবে কারা ভাঙচুর করেছেন,
তা তাঁরা জানেন না। ভাঙচুরের সঙ্গে
বিএনপি বা এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ইউএনও মোস্তাফিজুর
রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম
বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তাঁর
জানা নেই। এ বিষয়ে
তাঁকে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে কেউ
অবহিতও করেননি। তাঁর দাবি, স্বচ্ছতার
সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করা
হয়েছে।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ
মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফ্যামিলি
কার্ডের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও
সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে একদল বিক্ষোভকারী
ইউএনওর কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে
এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদার
বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একযোগে গাইবান্ধার সাত উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পরপরই জেলার পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কার্যালয়ে এ ভাঙচুর করা হয়।
ফুলছড়ি উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান তাঁর কার্যালয়ে ভাঙচুরের
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় একাধিক
সূত্র জানায়, পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার
দুপুর ১টার দিকে নিয়োগে
অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা চত্বরে
বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। এ
সময় তাঁরা প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফল বাতিলের দাবি জানান। একপর্যায়ে
বিক্ষোভকারীরা উপজেলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠে ইউএনওর
কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
ভাঙচুরের সময় কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিল, ফুলের টব ও জানালার
কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে বিক্ষোভকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলেও
প্রথমে তা ব্যর্থ হয়।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ফুলছড়ি উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেন।
তবে এ
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফুলছড়ি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন জয়। তিনি বলেন,
ইউএনও প্রকাশিত ফলাফলে ‘ফ্যাসিস্টদের’ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে—এমন অভিযোগের প্রতিবাদে
তাঁরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছেন। সেখানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী
সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন।
তবে কারা ভাঙচুর করেছেন,
তা তাঁরা জানেন না। ভাঙচুরের সঙ্গে
বিএনপি বা এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ইউএনও মোস্তাফিজুর
রহমান বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়ম
বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তাঁর
জানা নেই। এ বিষয়ে
তাঁকে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে কেউ
অবহিতও করেননি। তাঁর দাবি, স্বচ্ছতার
সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করার চেষ্টা করা
হয়েছে।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত
পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ
মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ফ্যামিলি
কার্ডের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহকারী ও
সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে একদল বিক্ষোভকারী
ইউএনওর কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করে
এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে
ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদার
বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একযোগে গাইবান্ধার সাত উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে জনবল নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ফলাফল প্রকাশের পরপরই জেলার পলাশবাড়ী, সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন