জেলা ছাত্রদলের
আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্যসচিব জাকারিয়া
আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই নোটিশ দেওয়া
হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা
ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী।
সোমবার রাতে
উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বাশার মোখলেছ
ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধার স্বাক্ষরে চারটি ইউনিয়নের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
ওই কমিটিতে
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে মো. সাইফুল ইসলামকে
সভাপতি ও মো. হাসানকে
সাধারণ সম্পাদক, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে হাসিবুল ইসলাম শান্তকে সভাপতি ও মো. মাসুম
আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে সাইফুল নূরকে সভাপতি ও রাকিব মৃধাকে
সাধারণ সম্পাদক এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে
মিরাজ হোসেনকে সভাপতি ও সাইদুল ইসলামকে
সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
এর বিপরীতে
একই রাতে উপজেলা ছাত্রদলের
সিনিয়র সহসভাপতি মো. রাজিব হোসেনসহ
কয়েকজনের স্বাক্ষরে পাঁচটি ইউনিয়নে পাল্টা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই কমিটিতে
মাধবখালী ইউনিয়নে বেল্লাল হোসেনকে সভাপতি ও রাজিব আহসানকে
সাধারণ সম্পাদক, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে মাহিন মোল্লাকে সভাপতি ও মো. হাসানকে
সাধারণ সম্পাদক, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে আব্বাস আকনকে সভাপতি ও তানভীর হাওলাদারকে
সাধারণ সম্পাদক, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে আসাদুজ্জামানকে সভাপতি ও নাঈম ইসলামকে
সাধারণ সম্পাদক এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে
মিরাজ হোসেনকে সভাপতি ও আরিফ হোসেন
উদয়কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
পাল্টাপাল্টি কমিটি
ঘোষণার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক
অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ
নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য করেন
অনেকে।
জেলা ছাত্রদলের
আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী বলেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নয় নেতাকে কারণ
দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও
মৌখিক ব্যাখ্যা দিতে তাঁদের নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বাশার মোখলেছ ও সিনিয়র সহসভাপতি মো. রাজিব হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে নম্বর বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
জেলা ছাত্রদলের
আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী ও সদস্যসচিব জাকারিয়া
আহমেদ স্বাক্ষরিত ওই নোটিশ দেওয়া
হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা
ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী।
সোমবার রাতে
উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বাশার মোখলেছ
ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধার স্বাক্ষরে চারটি ইউনিয়নের কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
ওই কমিটিতে
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে মো. সাইফুল ইসলামকে
সভাপতি ও মো. হাসানকে
সাধারণ সম্পাদক, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে হাসিবুল ইসলাম শান্তকে সভাপতি ও মো. মাসুম
আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে সাইফুল নূরকে সভাপতি ও রাকিব মৃধাকে
সাধারণ সম্পাদক এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে
মিরাজ হোসেনকে সভাপতি ও সাইদুল ইসলামকে
সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
এর বিপরীতে
একই রাতে উপজেলা ছাত্রদলের
সিনিয়র সহসভাপতি মো. রাজিব হোসেনসহ
কয়েকজনের স্বাক্ষরে পাঁচটি ইউনিয়নে পাল্টা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই কমিটিতে
মাধবখালী ইউনিয়নে বেল্লাল হোসেনকে সভাপতি ও রাজিব আহসানকে
সাধারণ সম্পাদক, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে মাহিন মোল্লাকে সভাপতি ও মো. হাসানকে
সাধারণ সম্পাদক, দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে আব্বাস আকনকে সভাপতি ও তানভীর হাওলাদারকে
সাধারণ সম্পাদক, কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নে আসাদুজ্জামানকে সভাপতি ও নাঈম ইসলামকে
সাধারণ সম্পাদক এবং মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নে
মিরাজ হোসেনকে সভাপতি ও আরিফ হোসেন
উদয়কে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
পাল্টাপাল্টি কমিটি
ঘোষণার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় রাজনৈতিক
অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এ
নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য করেন
অনেকে।
জেলা ছাত্রদলের
আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শামীম চৌধুরী বলেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নয় নেতাকে কারণ
দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে উপস্থিত হয়ে লিখিত ও
মৌখিক ব্যাখ্যা দিতে তাঁদের নির্দেশ
দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বাশার মোখলেছ ও সিনিয়র সহসভাপতি মো. রাজিব হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে নম্বর বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন