সাম্প্রতিক সময়ে
বিমানবন্দরে স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য আটকের
ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পর
এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা
কাস্টমস হাউসের কমিশনার মশিউর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩
সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এ তথ্য জানান।
এর আগে বুধবার রাত
১০টার দিকে ফ্লাই দুবাইয়ের
একটি ফ্লাইট থেকে ৯ কেজির
বেশি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। জব্দ
করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে
কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণ উদ্ধারের
ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কাস্টমসের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও এ কাজে যুক্ত
রয়েছে।
তিনি বলেন,
বর্তমান সরকারের চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতেই
এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের
জবাবে তিনি বলেন, চোরাকারবারীরা
বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন
কৌশল গ্রহণ করে। তবে শক্তিশালী
নজরদারির কারণে তাদের আটক করা সম্ভব
হচ্ছে।
কাস্টমস সূত্র
জানায়, গত তিন মাসে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক কয়েকটি চালানে
প্রায় ১৫০ কোটি টাকা
মূল্যের স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ
দিবাগত রাতে বিমানবন্দর থেকে
প্রায় ১৮ কেজি স্বর্ণ
জব্দ করা হয়। দুবাই
থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের
বিজি ৩৪৮ ফ্লাইটের কার্গো
কম্পার্টমেন্টের টয়লেটের প্যানেলের ভেতরে সাদা কাপড়ে মোড়ানো
অবস্থায় স্বর্ণগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
ওই চালানে
১৫৩টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।
এগুলোর মোট ওজন ১৭
কেজি ৯০১ গ্রাম। ২৪
ক্যারেটের এসব স্বর্ণের আনুমানিক
বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪৬
কোটি টাকা।
এরপর গত
২ জুলাই একই ধরনের আরেকটি
চালান আটক করা হয়।
দুবাই থেকে আসা বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট থেকে
১৮ কেজি ৭২০ গ্রাম
স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ওই
স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।
গত ১৯
জুলাই কার্গো ভিলেজে ফলের ক্যারেটের ভেতর
থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ
জব্দ করা হয়।
সর্বশেষ গত
২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে ফ্লাই দুবাইয়ের
একটি ফ্লাইট থেকে ৯ কেজির
বেশি স্বর্ণ জব্দ করা হয়।
এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
শুধু স্বর্ণ
নয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিষিদ্ধ ক্রিম, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, সিগারেটসহ
বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্যও আটক
করা হচ্ছে।
কাস্টমস
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসব
পণ্যের মধ্যে প্রতিদিনই কোটি কোটি টাকা
মূল্যের অবৈধ পণ্য জব্দের
ঘটনা ঘটছে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাম্প্রতিক সময়ে
বিমানবন্দরে স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য আটকের
ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পর
এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা
কাস্টমস হাউসের কমিশনার মশিউর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩
সেপ্টেম্বর) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এ তথ্য জানান।
এর আগে বুধবার রাত
১০টার দিকে ফ্লাই দুবাইয়ের
একটি ফ্লাইট থেকে ৯ কেজির
বেশি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। জব্দ
করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে
কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে স্বর্ণ উদ্ধারের
ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কাস্টমসের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও এ কাজে যুক্ত
রয়েছে।
তিনি বলেন,
বর্তমান সরকারের চোরাচালানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতেই
এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের
জবাবে তিনি বলেন, চোরাকারবারীরা
বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন
কৌশল গ্রহণ করে। তবে শক্তিশালী
নজরদারির কারণে তাদের আটক করা সম্ভব
হচ্ছে।
কাস্টমস সূত্র
জানায়, গত তিন মাসে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক কয়েকটি চালানে
প্রায় ১৫০ কোটি টাকা
মূল্যের স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ
দিবাগত রাতে বিমানবন্দর থেকে
প্রায় ১৮ কেজি স্বর্ণ
জব্দ করা হয়। দুবাই
থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের
বিজি ৩৪৮ ফ্লাইটের কার্গো
কম্পার্টমেন্টের টয়লেটের প্যানেলের ভেতরে সাদা কাপড়ে মোড়ানো
অবস্থায় স্বর্ণগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
ওই চালানে
১৫৩টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।
এগুলোর মোট ওজন ১৭
কেজি ৯০১ গ্রাম। ২৪
ক্যারেটের এসব স্বর্ণের আনুমানিক
বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৪৬
কোটি টাকা।
এরপর গত
২ জুলাই একই ধরনের আরেকটি
চালান আটক করা হয়।
দুবাই থেকে আসা বিমান
বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট থেকে
১৮ কেজি ৭২০ গ্রাম
স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। ওই
স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।
গত ১৯
জুলাই কার্গো ভিলেজে ফলের ক্যারেটের ভেতর
থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ
জব্দ করা হয়।
সর্বশেষ গত
২ সেপ্টেম্বর বুধবার রাতে ফ্লাই দুবাইয়ের
একটি ফ্লাইট থেকে ৯ কেজির
বেশি স্বর্ণ জব্দ করা হয়।
এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
শুধু স্বর্ণ
নয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিষিদ্ধ ক্রিম, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, সিগারেটসহ
বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্যও আটক
করা হচ্ছে।
কাস্টমস
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এসব
পণ্যের মধ্যে প্রতিদিনই কোটি কোটি টাকা
মূল্যের অবৈধ পণ্য জব্দের
ঘটনা ঘটছে।

আপনার মতামত লিখুন