প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার
আশ্বাস পাওয়ার পর বাস চলাচল
শুরু হলেও গোল্ডেন লাইন
পরিবহনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসমালিক
ও শ্রমিকদের বিরোধের এখনো স্থায়ী সমাধান
হয়নি।
এর আগে মঙ্গলবার
দুপুর ১২টার পর গোল্ডেন লাইন
পরিবহনের বাস চলাচলকে কেন্দ্র
করে স্থানীয় বাসমালিকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে এসব রুটে
বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এতে রাজবাড়ী ও ফরিদপুরের যাত্রীরা
চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেকে থ্রি-হুইলার, মাহেন্দ্র
ও অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে
যান।
পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আগের সরকারের আমলে
রাজবাড়ীর ওপর দিয়ে গোল্ডেন
লাইন পরিবহনের বাস চলাচল নিয়ে
বিরোধ তৈরি হয়। পরে
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পরিবহন মালিক সংগঠনগুলোর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে গোল্ডেন
লাইনকে রাজবাড়ীর ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ
চারটি ট্রিপ চালানোর সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহন
মালিক গ্রুপের অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট
সরকার পরিবর্তনের পর ওই সিদ্ধান্ত
অমান্য করে গোল্ডেন লাইন
ধীরে ধীরে বাস ও
ট্রিপের সংখ্যা বাড়াতে থাকে। কোনো কোনো দিন
প্রায় ২৮টি ট্রিপ পর্যন্ত
চালানো হয়েছে বলে তাদের দাবি।
এ নিয়ে স্থানীয়
পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। মঙ্গলবার
সকালে চারটি গোল্ডেন লাইন বাস যাওয়ার
পর অতিরিক্ত বাস চলাচলে বাধা
দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে
ফরিদপুরে রাজবাড়ীর বাস আটকে দেওয়ার
অভিযোগ ওঠে।
এ সময় রেখা
পরিবহনের একটি বাস ভাঙচুর,
চালক ও সহকারীকে মারধর
এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার
অভিযোগও পাওয়া যায়। পরে নিরাপত্তার
স্বার্থে রাজবাড়ী-ফরিদপুর ও দৌলতদিয়া-ফরিদপুর
রুটে বাস চলাচল বন্ধ
করে দেন মালিক-শ্রমিকেরা।
রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহন
মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. মাহমুদুল হক
জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক
সুকুমার ভৌমিক বাস চলাচল শুরুর
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সুকুমার ভৌমিক বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার
আশ্বাস পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল
থেকে বাস চলাচল শুরু
হয়েছে। তবে বিভাগীয় কমিশনারের
আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গোল্ডেন লাইনকে চারটির বেশি ট্রিপ চালাতে
দেওয়া হবে না। বিরোধের
এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি, তবে আলোচনার সুযোগ
রয়েছে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে আপাতত বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার
আশ্বাস পাওয়ার পর বাস চলাচল
শুরু হলেও গোল্ডেন লাইন
পরিবহনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসমালিক
ও শ্রমিকদের বিরোধের এখনো স্থায়ী সমাধান
হয়নি।
এর আগে মঙ্গলবার
দুপুর ১২টার পর গোল্ডেন লাইন
পরিবহনের বাস চলাচলকে কেন্দ্র
করে স্থানীয় বাসমালিকদের সঙ্গে বিরোধের জেরে এসব রুটে
বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এতে রাজবাড়ী ও ফরিদপুরের যাত্রীরা
চরম দুর্ভোগে পড়েন। অনেকে থ্রি-হুইলার, মাহেন্দ্র
ও অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে
যান।
পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আগের সরকারের আমলে
রাজবাড়ীর ওপর দিয়ে গোল্ডেন
লাইন পরিবহনের বাস চলাচল নিয়ে
বিরোধ তৈরি হয়। পরে
ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পরিবহন মালিক সংগঠনগুলোর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে গোল্ডেন
লাইনকে রাজবাড়ীর ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ
চারটি ট্রিপ চালানোর সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহন
মালিক গ্রুপের অভিযোগ, গত ৫ আগস্ট
সরকার পরিবর্তনের পর ওই সিদ্ধান্ত
অমান্য করে গোল্ডেন লাইন
ধীরে ধীরে বাস ও
ট্রিপের সংখ্যা বাড়াতে থাকে। কোনো কোনো দিন
প্রায় ২৮টি ট্রিপ পর্যন্ত
চালানো হয়েছে বলে তাদের দাবি।
এ নিয়ে স্থানীয়
পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। মঙ্গলবার
সকালে চারটি গোল্ডেন লাইন বাস যাওয়ার
পর অতিরিক্ত বাস চলাচলে বাধা
দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে
ফরিদপুরে রাজবাড়ীর বাস আটকে দেওয়ার
অভিযোগ ওঠে।
এ সময় রেখা
পরিবহনের একটি বাস ভাঙচুর,
চালক ও সহকারীকে মারধর
এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার
অভিযোগও পাওয়া যায়। পরে নিরাপত্তার
স্বার্থে রাজবাড়ী-ফরিদপুর ও দৌলতদিয়া-ফরিদপুর
রুটে বাস চলাচল বন্ধ
করে দেন মালিক-শ্রমিকেরা।
রাজবাড়ী জেলা সড়ক পরিবহন
মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. মাহমুদুল হক
জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক
সুকুমার ভৌমিক বাস চলাচল শুরুর
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সুকুমার ভৌমিক বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার
আশ্বাস পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকাল
থেকে বাস চলাচল শুরু
হয়েছে। তবে বিভাগীয় কমিশনারের
আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গোল্ডেন লাইনকে চারটির বেশি ট্রিপ চালাতে
দেওয়া হবে না। বিরোধের
এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি, তবে আলোচনার সুযোগ
রয়েছে।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে আপাতত বাস চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের নিয়ে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন