সুন্দরবনের শেলারচর বনাঞ্চলে বন বিভাগের অভিযানে দুই দিনের ব্যবধানে আরও একটি অবৈধ শুঁটকি তৈরির মাচা (রিংঘর) ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় দুই বস্তা শুঁটকি চিংড়ি, একটি জেলে নৌকা, দুটি টানা জাল, একটি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ
জানায়,
শুক্রবার (৩১
জুলাই)
পূর্ব
সুন্দরবন বন
বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ
কর্মকর্তা (এসিএফ)
মো.
শরিফুল
ইসলামের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা কালামিয়া ও
নারিকেলবাড়িয়া খালসংলগ্ন দুর্গম
বনাঞ্চলে অভিযান
চালান।
বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের
পেয়ে
সেখানে
থাকা
ব্যক্তিরা পালিয়ে গেলে
অবৈধ
শুঁটকি
মাচাটি
ভেঙে
ফেলা
হয়।
একই দিন
বিকেলে
কোকিলমনি টহল
ফাঁড়ির কবরখালী খালে
পৃথক
অভিযানে চারটি
জেলে
নৌকা
ও
১৫টি
চর
জাল
জব্দ
করা
হয়।
তবে
অভিযানে জড়িত
জেলেরা
পালিয়ে যায়।
পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে তিন মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। এরপরও কিছু অসাধু জেলে শেলারচরের দুর্গম এলাকায় অবৈধভাবে শুঁটকি প্রস্তুত করছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
সুন্দরবনের শেলারচর বনাঞ্চলে বন বিভাগের অভিযানে দুই দিনের ব্যবধানে আরও একটি অবৈধ শুঁটকি তৈরির মাচা (রিংঘর) ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় দুই বস্তা শুঁটকি চিংড়ি, একটি জেলে নৌকা, দুটি টানা জাল, একটি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ
জানায়,
শুক্রবার (৩১
জুলাই)
পূর্ব
সুন্দরবন বন
বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জ
কর্মকর্তা (এসিএফ)
মো.
শরিফুল
ইসলামের নেতৃত্বে বনরক্ষীরা কালামিয়া ও
নারিকেলবাড়িয়া খালসংলগ্ন দুর্গম
বনাঞ্চলে অভিযান
চালান।
বনরক্ষীদের উপস্থিতি টের
পেয়ে
সেখানে
থাকা
ব্যক্তিরা পালিয়ে গেলে
অবৈধ
শুঁটকি
মাচাটি
ভেঙে
ফেলা
হয়।
একই দিন
বিকেলে
কোকিলমনি টহল
ফাঁড়ির কবরখালী খালে
পৃথক
অভিযানে চারটি
জেলে
নৌকা
ও
১৫টি
চর
জাল
জব্দ
করা
হয়।
তবে
অভিযানে জড়িত
জেলেরা
পালিয়ে যায়।
পূর্ব সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে তিন মাসের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। এরপরও কিছু অসাধু জেলে শেলারচরের দুর্গম এলাকায় অবৈধভাবে শুঁটকি প্রস্তুত করছিল। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন