রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া রেলওয়ে স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত। নিচু প্ল্যাটফর্ম, পর্যাপ্ত যাত্রীসেবার অভাব, অযত্নে পড়ে থাকা স্টেশন ভবন এবং আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় যাত্রীদের।
মাছপাড়া ইউনিয়ন
ও
আশপাশের এলাকার
মানুষের জন্য
রেল
যোগাযোগ সাশ্রয়ী ও
গুরুত্বপূর্ণ একটি
মাধ্যম। বর্তমানে নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেন
স্টেশনটিতে থামলেও
এতে
আসন
বরাদ্দ
না
থাকায়
অনেক
যাত্রীকে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে
হয়।
এতে
বিশেষ
করে
নারী,
শিশু,
বয়স্ক
ও
অসুস্থ
যাত্রীদের বেশি
সমস্যায় পড়তে
হচ্ছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল
আলম
ফরিদ
বলেন,
ট্রেনের দরজা
ও
প্ল্যাটফর্মের উচ্চতার মধ্যে
পার্থক্য থাকায়
যাত্রীদের ওঠানামা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে
পড়ে।
এ
ছাড়া
পর্যাপ্ত আগাম
ঘোষণা
ও
আধুনিক
যাত্রী
তথ্যব্যবস্থা না
থাকায়
ট্রেনের সময়সূচি ও
চলাচল
নিয়ে
অনেক
সময়
যাত্রীদের বিভ্রান্তিতে পড়তে
হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত
স্টেশনটি সংস্কার ও
আধুনিকায়নের দাবি
জানিয়েছেন। তাঁদের
দাবির
মধ্যে
রয়েছে
নিরাপদ
ও
উঁচু
প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেনে
আসন
বরাদ্দ
এবং
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি
আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু
করা।
স্থানীয়দের মতে, স্টেশনটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যাত্রীসেবার মান বাড়ানো হলে মাছপাড়া ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার মানুষের রেলযাত্রা আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া রেলওয়ে স্টেশনটি দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যায় জর্জরিত। নিচু প্ল্যাটফর্ম, পর্যাপ্ত যাত্রীসেবার অভাব, অযত্নে পড়ে থাকা স্টেশন ভবন এবং আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় যাত্রীদের।
মাছপাড়া ইউনিয়ন
ও
আশপাশের এলাকার
মানুষের জন্য
রেল
যোগাযোগ সাশ্রয়ী ও
গুরুত্বপূর্ণ একটি
মাধ্যম। বর্তমানে নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেন
স্টেশনটিতে থামলেও
এতে
আসন
বরাদ্দ
না
থাকায়
অনেক
যাত্রীকে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে
হয়।
এতে
বিশেষ
করে
নারী,
শিশু,
বয়স্ক
ও
অসুস্থ
যাত্রীদের বেশি
সমস্যায় পড়তে
হচ্ছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল
আলম
ফরিদ
বলেন,
ট্রেনের দরজা
ও
প্ল্যাটফর্মের উচ্চতার মধ্যে
পার্থক্য থাকায়
যাত্রীদের ওঠানামা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে
পড়ে।
এ
ছাড়া
পর্যাপ্ত আগাম
ঘোষণা
ও
আধুনিক
যাত্রী
তথ্যব্যবস্থা না
থাকায়
ট্রেনের সময়সূচি ও
চলাচল
নিয়ে
অনেক
সময়
যাত্রীদের বিভ্রান্তিতে পড়তে
হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত
স্টেশনটি সংস্কার ও
আধুনিকায়নের দাবি
জানিয়েছেন। তাঁদের
দাবির
মধ্যে
রয়েছে
নিরাপদ
ও
উঁচু
প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেনে
আসন
বরাদ্দ
এবং
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি
আন্তনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালু
করা।
স্থানীয়দের মতে, স্টেশনটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যাত্রীসেবার মান বাড়ানো হলে মাছপাড়া ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার মানুষের রেলযাত্রা আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।

আপনার মতামত লিখুন