মঙ্গলবার
জেনেভায় ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা গোষ্ঠীর (সেজ) চেয়ারম্যান অ্যান্থনি
স্কট এ সুপারিশের কথা
জানান।
স্কট
বলেন, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশ ইতিমধ্যে এইচপিভি
টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। তবে
বিশ্বজুড়ে এ টিকা গ্রহণের
হার মাত্র ৩৩ শতাংশ, যা
ডব্লিউএইচওর নির্ধারিত ৯০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার
তুলনায় অনেক কম।
ডব্লিউএইচওর
মতে, ৯ থেকে ১৪
বছর বয়সী মেয়েদের এইচপিভি
টিকাদানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। সংস্থাটির বিশেষজ্ঞদের হালনাগাদ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ
বয়সী মেয়েদের এক ডোজ টিকা
দেওয়ার পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
এক
ডোজ
টিকার
সুপারিশ
২০২২
সালে সেজ ৯ থেকে
১৪ বছর বয়সী মেয়েদের
এক বা দুই ডোজ
এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ
করেছিল। একই বয়সভিত্তিক সূচি
১৫ থেকে ২০ বছর
বয়সী তরুণীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। আর ২১
বছরের বেশি বয়সী নারীদের
ছয় মাসের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা
দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
তবে
হালনাগাদ গবেষণালব্ধ প্রমাণ পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা মনে
করছেন, ৯ থেকে ১৪
বছর বয়সী মেয়েদের এক
ডোজ টিকা দেওয়ার কর্মসূচি
সম্প্রসারণ করলে টিকাদানের বৈশ্বিক
লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হতে পারে।
অ্যান্থনি
স্কট বলেন, টিকা গ্রহণের হার
ও আওতা বাড়ানোর সম্ভাবনা
থাকলে দেশগুলো ৪ থেকে ৮
বছর বয়সী মেয়েদের নিয়মিত
টিকাদানের বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে।
জরায়ুমুখ ক্যানসারে বছরে
লাখো
মৃত্যু
এইচপিভির
দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের কারণে জরায়ুমুখ ক্যানসার হতে পারে। ডব্লিউএইচওর
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী
নারীদের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারগুলোর মধ্যে
এটি ছিল পঞ্চম সর্বাধিক।
ওই বছর প্রায় ৬
লাখ ৪ হাজার নারী
নতুন করে এ রোগে
আক্রান্ত হন এবং প্রায়
২ লাখ ৮০ হাজার
নারী মারা যান।
ডব্লিউএইচওর
টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন
জানান, ২০২৫ সালের শেষ
নাগাদ ৯ কোটি ৫০
লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি
টিকা পেয়েছে।
সংস্থাটির
তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের
ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার।
এসব দেশের অধিকাংশই সাব-সাহারান আফ্রিকা,
দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা,
মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব
এশিয়ার কিছু অংশে অবস্থিত।
আরও
যেসব
জনগোষ্ঠীকে টিকার
আওতায়
আনার
সুপারিশ
এইচপিভি
টিকাদানের আওতা বাড়াতে সেজ
কয়েকটি জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—
·
২৫
বছর বয়স পর্যন্ত যেসব
নারী আগে টিকা পাননি,
তাঁদের টিকার সুযোগ দেওয়া।
·
এরপর
৩০ বছর বয়স পর্যন্ত
নারীদের জন্য এ সুযোগ
সম্প্রসারণ।
·
৯
থেকে ১৪ বছর বয়সী
ছেলেদের নিয়মিত টিকাদান।
·
সবশেষে
২০ বছর বয়স পর্যন্ত
যেসব পুরুষ টিকা পাননি, তাঁদের
টিকার আওতায় আনা।
২০২৫
সাল পর্যন্ত এইচপিভির আটটি টিকা ব্যবহারের
অনুমোদন পেয়েছে।
ডব্লিউএইচওর
বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদানের আওতা
বাড়ানো এবং উপযুক্ত বয়সে
টিকা নিশ্চিত করা জরায়ুমুখ ক্যানসার
প্রতিরোধের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: বাসস

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার
জেনেভায় ডব্লিউএইচওর টিকাদানবিষয়ক কৌশলগত বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা গোষ্ঠীর (সেজ) চেয়ারম্যান অ্যান্থনি
স্কট এ সুপারিশের কথা
জানান।
স্কট
বলেন, বিশ্বের প্রায় ১৬৫টি দেশ ইতিমধ্যে এইচপিভি
টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। তবে
বিশ্বজুড়ে এ টিকা গ্রহণের
হার মাত্র ৩৩ শতাংশ, যা
ডব্লিউএইচওর নির্ধারিত ৯০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার
তুলনায় অনেক কম।
ডব্লিউএইচওর
মতে, ৯ থেকে ১৪
বছর বয়সী মেয়েদের এইচপিভি
টিকাদানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। সংস্থাটির বিশেষজ্ঞদের হালনাগাদ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এ
বয়সী মেয়েদের এক ডোজ টিকা
দেওয়ার পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
এক
ডোজ
টিকার
সুপারিশ
২০২২
সালে সেজ ৯ থেকে
১৪ বছর বয়সী মেয়েদের
এক বা দুই ডোজ
এইচপিভি টিকা দেওয়ার সুপারিশ
করেছিল। একই বয়সভিত্তিক সূচি
১৫ থেকে ২০ বছর
বয়সী তরুণীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য ছিল। আর ২১
বছরের বেশি বয়সী নারীদের
ছয় মাসের ব্যবধানে দুই ডোজ টিকা
দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
তবে
হালনাগাদ গবেষণালব্ধ প্রমাণ পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞরা মনে
করছেন, ৯ থেকে ১৪
বছর বয়সী মেয়েদের এক
ডোজ টিকা দেওয়ার কর্মসূচি
সম্প্রসারণ করলে টিকাদানের বৈশ্বিক
লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হতে পারে।
অ্যান্থনি
স্কট বলেন, টিকা গ্রহণের হার
ও আওতা বাড়ানোর সম্ভাবনা
থাকলে দেশগুলো ৪ থেকে ৮
বছর বয়সী মেয়েদের নিয়মিত
টিকাদানের বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে।
জরায়ুমুখ ক্যানসারে বছরে
লাখো
মৃত্যু
এইচপিভির
দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের কারণে জরায়ুমুখ ক্যানসার হতে পারে। ডব্লিউএইচওর
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী
নারীদের মধ্যে শনাক্ত হওয়া ক্যানসারগুলোর মধ্যে
এটি ছিল পঞ্চম সর্বাধিক।
ওই বছর প্রায় ৬
লাখ ৪ হাজার নারী
নতুন করে এ রোগে
আক্রান্ত হন এবং প্রায়
২ লাখ ৮০ হাজার
নারী মারা যান।
ডব্লিউএইচওর
টিকা বিভাগের প্রধান কেট ও’ব্রায়েন
জানান, ২০২৫ সালের শেষ
নাগাদ ৯ কোটি ৫০
লাখের বেশি মেয়ে এইচপিভি
টিকা পেয়েছে।
সংস্থাটির
তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ২৬টি দেশে নারীদের
ক্যানসারজনিত মৃত্যুর প্রধান কারণ জরায়ুমুখ ক্যানসার।
এসব দেশের অধিকাংশই সাব-সাহারান আফ্রিকা,
দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা,
মেলানেশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব
এশিয়ার কিছু অংশে অবস্থিত।
আরও
যেসব
জনগোষ্ঠীকে টিকার
আওতায়
আনার
সুপারিশ
এইচপিভি
টিকাদানের আওতা বাড়াতে সেজ
কয়েকটি জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—
·
২৫
বছর বয়স পর্যন্ত যেসব
নারী আগে টিকা পাননি,
তাঁদের টিকার সুযোগ দেওয়া।
·
এরপর
৩০ বছর বয়স পর্যন্ত
নারীদের জন্য এ সুযোগ
সম্প্রসারণ।
·
৯
থেকে ১৪ বছর বয়সী
ছেলেদের নিয়মিত টিকাদান।
·
সবশেষে
২০ বছর বয়স পর্যন্ত
যেসব পুরুষ টিকা পাননি, তাঁদের
টিকার আওতায় আনা।
২০২৫
সাল পর্যন্ত এইচপিভির আটটি টিকা ব্যবহারের
অনুমোদন পেয়েছে।
ডব্লিউএইচওর
বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকাদানের আওতা
বাড়ানো এবং উপযুক্ত বয়সে
টিকা নিশ্চিত করা জরায়ুমুখ ক্যানসার
প্রতিরোধের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সূত্র: বাসস

আপনার মতামত লিখুন