বাংলাদেশ ছাড়ার
পর গত বুধবার নয়াদিল্লি
থেকে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল সংবাদ
সম্মেলনে অংশ নেন শেখ
হাসিনা। সেখানে তিনি বলেন, আগামী
ডিসেম্বরেই তিনি বাংলাদেশে ফিরতে
চান। গ্রেপ্তার, কারাবাস বা জীবনের ঝুঁকি
থাকলেও দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে
তিনি অটল বলে জানান।
তার এই
বক্তব্যের পর ঢাকার পক্ষ
থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। বাংলাদেশ সরকার
বিষয়টিকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত হিসেবে উল্লেখ
করে সতর্ক করে দেয়, এ
ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের সম্পর্ক
উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
গত বুধবার
এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে, শেখ হাসিনা
সংবাদ সম্মেলনকে বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের
বিরুদ্ধে বিষোদগারের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার
করেছেন। একই সঙ্গে জুলাই
বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীর সময় এ আয়োজনকে
সংবেদনশীল উল্লেখ করে ভারতের মাটি
থেকে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনকে
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এবং
জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি অবমাননা হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
এর আগে
মঙ্গলবারও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল,
শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো
সংশ্লিষ্টতা নেই। সংবাদ সম্মেলনটি
একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবারের ব্রিফিংয়েও রণধীর জয়সওয়াল একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই এবং ওই মঞ্চে প্রকাশিত মতামত ভারত সরকারের অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হবে না।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ছাড়ার
পর গত বুধবার নয়াদিল্লি
থেকে প্রথমবারের মতো ভার্চুয়াল সংবাদ
সম্মেলনে অংশ নেন শেখ
হাসিনা। সেখানে তিনি বলেন, আগামী
ডিসেম্বরেই তিনি বাংলাদেশে ফিরতে
চান। গ্রেপ্তার, কারাবাস বা জীবনের ঝুঁকি
থাকলেও দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে
তিনি অটল বলে জানান।
তার এই
বক্তব্যের পর ঢাকার পক্ষ
থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। বাংলাদেশ সরকার
বিষয়টিকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত হিসেবে উল্লেখ
করে সতর্ক করে দেয়, এ
ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের সম্পর্ক
উন্নয়নের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
গত বুধবার
এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করে, শেখ হাসিনা
সংবাদ সম্মেলনকে বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের
বিরুদ্ধে বিষোদগারের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার
করেছেন। একই সঙ্গে জুলাই
বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীর সময় এ আয়োজনকে
সংবেদনশীল উল্লেখ করে ভারতের মাটি
থেকে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনকে
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এবং
জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি অবমাননা হিসেবে বর্ণনা করা হয়।
এর আগে
মঙ্গলবারও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল,
শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো
সংশ্লিষ্টতা নেই। সংবাদ সম্মেলনটি
একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে।
শুক্রবারের ব্রিফিংয়েও রণধীর জয়সওয়াল একই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, অনুষ্ঠানের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই এবং ওই মঞ্চে প্রকাশিত মতামত ভারত সরকারের অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হবে না।

আপনার মতামত লিখুন