সন্তানকে ঘিরেই বাবা-মায়ের স্বপ্ন। শৈশব থেকে সন্তানকে যত্ন, ভালোবাসা ও শিক্ষায় গড়ে তোলেন তাঁরা। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক, এরপর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সন্তানের এগিয়ে চলা হয়ে উঠে বাবা-মায়ের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতে কেউ চিকিৎসক, কেউ প্রকৌশলী কিংবা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হলেও বাবা-মায়ের কাছে সন্তান থেকে যায় একই রকম প্রিয়।
সাংবাদিক হাবিবুর রহমান
বাপ্পীর একমাত্র মেয়ে
বুশরাতুল জান্নাহ্ (পুষ্পিতা) আজ
থেকে
পা
রাখল
তাঁর
শিক্ষাজীবনের নতুন
অধ্যায়ে। শুরু
হলো
তাঁর
কলেজজীবন। মেয়ের নতুন
এই
যাত্রাকে ঘিরে
আবেগঘন
অনুভূতি প্রকাশ
করেছেন
সাংবাদিক হাবিবুর রহমান
বাপ্পী। তিনি
একজন
সৎ
ও
নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হিসেবে
পেশাগত
দায়িত্ব পালনের
পাশাপাশি মেয়ের
শিক্ষাজীবন নিয়েও
আশাবাদী।
মেয়ের জন্য
সবার
কাছে
দোয়া
চেয়ে
তিনি
বলেন,
শিক্ষার এই
দীর্ঘ
পথ
যেন
সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও
মানবিক
মূল্যবোধে পরিপূর্ণ হয়।
তাঁর
প্রত্যাশা, বুশরাতুল জান্নাহ্ (পুষ্পিতা) জ্ঞান
ও
শিক্ষায় নিজেকে
সমৃদ্ধ
করে
ভবিষ্যতে পরিবার,
সমাজ
ও
দেশের
কল্যাণে ভূমিকা
রাখবে। তিনি সবার
প্রতি
বিনয়ের
সঙ্গে
অনুরোধ
জানিয়েছেন, তাঁর
একমাত্র মেয়েকে
যেন
অফুরন্ত ও
অবিরাম
দোয়ায়
রাখা
হয়।
সবার
দোয়ায়
বুশরাতুল জান্নাহর শিক্ষার এই
সফর
পূর্ণতা পাক
এটাই
তাঁর
প্রত্যাশা।
বাবা হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া, মেয়ের অর্জিত শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার, সমাজ, দেশ ও দশের এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজে আসুক।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সন্তানকে ঘিরেই বাবা-মায়ের স্বপ্ন। শৈশব থেকে সন্তানকে যত্ন, ভালোবাসা ও শিক্ষায় গড়ে তোলেন তাঁরা। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে মাধ্যমিক, এরপর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ধাপে সন্তানের এগিয়ে চলা হয়ে উঠে বাবা-মায়ের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। ভবিষ্যতে কেউ চিকিৎসক, কেউ প্রকৌশলী কিংবা অন্য কোনো পেশায় যুক্ত হলেও বাবা-মায়ের কাছে সন্তান থেকে যায় একই রকম প্রিয়।
সাংবাদিক হাবিবুর রহমান
বাপ্পীর একমাত্র মেয়ে
বুশরাতুল জান্নাহ্ (পুষ্পিতা) আজ
থেকে
পা
রাখল
তাঁর
শিক্ষাজীবনের নতুন
অধ্যায়ে। শুরু
হলো
তাঁর
কলেজজীবন। মেয়ের নতুন
এই
যাত্রাকে ঘিরে
আবেগঘন
অনুভূতি প্রকাশ
করেছেন
সাংবাদিক হাবিবুর রহমান
বাপ্পী। তিনি
একজন
সৎ
ও
নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হিসেবে
পেশাগত
দায়িত্ব পালনের
পাশাপাশি মেয়ের
শিক্ষাজীবন নিয়েও
আশাবাদী।
মেয়ের জন্য
সবার
কাছে
দোয়া
চেয়ে
তিনি
বলেন,
শিক্ষার এই
দীর্ঘ
পথ
যেন
সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও
মানবিক
মূল্যবোধে পরিপূর্ণ হয়।
তাঁর
প্রত্যাশা, বুশরাতুল জান্নাহ্ (পুষ্পিতা) জ্ঞান
ও
শিক্ষায় নিজেকে
সমৃদ্ধ
করে
ভবিষ্যতে পরিবার,
সমাজ
ও
দেশের
কল্যাণে ভূমিকা
রাখবে। তিনি সবার
প্রতি
বিনয়ের
সঙ্গে
অনুরোধ
জানিয়েছেন, তাঁর
একমাত্র মেয়েকে
যেন
অফুরন্ত ও
অবিরাম
দোয়ায়
রাখা
হয়।
সবার
দোয়ায়
বুশরাতুল জান্নাহর শিক্ষার এই
সফর
পূর্ণতা পাক
এটাই
তাঁর
প্রত্যাশা।
বাবা হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় চাওয়া, মেয়ের অর্জিত শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার, সমাজ, দেশ ও দশের এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজে আসুক।

আপনার মতামত লিখুন