Ctn Tv

আবাসিক ভবনে দোকান নির্মাণের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

রাজধানীর মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্টের দক্ষিণ বারিধারায় হেলেনা নিবাস নামের একটি ভবনে অনুমোদিত নকশা পরিবর্তন করে দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। আবাসিক এলাকার শর্ত ও ভবনের অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। এ ঘটনায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।অভিযোগ অনুযায়ী, বাড়ি নম্বর ১৮, রোড নম্বর ১৭, ঢাকা-১২১২ ঠিকানার ভবনটিতে দোকান নির্মাণের কাজ চলছে। ভবনটির অবস্থান মেরুল বাড্ডা থানা রোডের কাছাকাছি হওয়ায় নির্মাণকাজের বৈধতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।অভিযোগকারীদের দাবি, ভবনের অনুমোদিত নকশা এবং আবাসিক ব্যবহারের শর্ত লঙ্ঘন করে দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে কি না, তা সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। এ জন্য ভবনটির অনুমোদিত নকশা, নির্মাণসংক্রান্ত নথি এবং রাজউকের অনুমোদন যাচাইয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে।রাজউকের অনুমোদন রয়েছে কি?ভবনটির নকশা পরিবর্তন করে দোকান নির্মাণের জন্য রাজউকের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। অনুমোদিত নকশায় ভবনটির ব্যবহার কীভাবে নির্ধারিত রয়েছে এবং বর্তমানে নির্মাণকাজ সেই নকশা অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা নথি যাচাই ও সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যেতে পারে।অভিযোগে সংশ্লিষ্ট একজন ব্যক্তির আইনজীবী এবং রাজউকের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁর পরিচয়, সংশ্লিষ্টতা এবং নির্মাণকাজের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। শুধু পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো অনিয়মের দায় নির্ধারণ করা যায় না।রাজউক ও থানার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নমেরুল বাড্ডা থানা রোডের কাছাকাছি চলমান নির্মাণকাজের বিষয়ে রাজউক কর্তৃপক্ষের অবস্থান কী, তা জানতে চেয়েছেন অভিযোগকারীরা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগটি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে।অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে ভবনটির অনুমোদিত নকশা, নির্মাণের অনুমতিপত্র এবং প্রযোজ্য বিধিবিধান পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। নকশা বা ব্যবহারের শর্ত লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে।তবে এ বিষয়ে রাজউক ও মেরুল বাড্ডা থানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা জরুরি। অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দায়ী করার আগে নির্মাণকাজের প্রকৃত অবস্থা ও অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিঅভিযোগকারীরা বলছেন, ভবনটির নির্মাণকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনুমোদিত নকশার সঙ্গে বর্তমান নির্মাণের তুলনা করা উচিত। একই সঙ্গে দোকান নির্মাণের অনুমোদন রয়েছে কি না এবং আবাসিক ব্যবহারের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ভবনমালিক, রাজউক এবং মেরুল বাড্ডা থানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন। তাঁদের বক্তব্য, অনুমোদনপত্র ও প্রাসঙ্গিক নথি যাচাইয়ের পরই অভিযোগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

আবাসিক ভবনে দোকান নির্মাণের অভিযোগ, তদন্তের দাবি