সুন্দরবনের পাশে অনুমোদনহীন ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ
সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকায়
অনুমোদন ছাড়া
গড়ে
ওঠা
১৮টি
রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের
নির্দেশ দিয়েছে
পরিবেশ
অধিদপ্তর। একই
সঙ্গে
নির্ধারিত সময়ের
মধ্যে
এসব
রিসোর্টের স্থাপনা সরিয়ে
নিতে
বলা
হয়েছে।নির্দেশনা না
মানলে
ভ্রাম্যমাণ আদালত
পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করা
এবং
নিয়মিত
মামলা
করাসহ
আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
কথা
জানিয়েছে পরিবেশ
অধিদপ্তর।রোববার পরিবেশ
অধিদপ্তর খুলনা
জেলা
কার্যালয়ের সহকারী
পরিচালক মো.
হারুন-অর রশীদ সংশ্লিষ্ট রিসোর্ট মালিকদের লিখিতভাবে এসব
নির্দেশনা দেন।পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে
জানা
গেছে,
খুলনা
জেলার
সুন্দরবনসংলগ্ন ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও
বাণিশান্তা এলাকায়
রিসোর্টগুলো গড়ে
উঠেছে।
এর
মধ্যে
আগে
অনুমোদন ছাড়া
নির্মিত ১০টি
রিসোর্টকে কারণ
দর্শানোর নোটিশ
দেওয়া
হয়েছিল। নোটিশের জবাব
দেওয়ার
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মালিকেরা অনুমোদনের জন্য
আবেদন
করেন।
তবে
অধিদপ্তরের চাহিদা
অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে
না
পারায়
গত
৩০
সেপ্টেম্বর আবেদনগুলো বাতিল
করা
হয়।এর পর
ওই
১০টি
রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধ
করে
৩০
দিনের
মধ্যে
সব
স্থাপনা সরিয়ে
নেওয়ার
নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।অন্যদিকে, নতুন
করে
নির্মিত আরও
আটটি
রিসোর্টকে গত
৩০
সেপ্টেম্বর দেওয়া
চিঠিতে
সাত
দিনের
মধ্যে
গ্রহণযোগ্য স্থানে
স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের
মধ্যে
দৃশ্যমান কোনো
পদক্ষেপ না
নেওয়ায়
এবার
এসব
রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধ
এবং
১৫
দিনের
মধ্যে
স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া
হয়েছে।পরিবেশ অধিদপ্তরের তালিকায় থাকা
১৮টি
রিসোর্ট হলো—অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য
ফরেস্ট
রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি,
লা
সিলভা
কটেজ,
বনবিবি,
সুন্দরী, ইরাবতী,
বনমালী,
গোলকানন, পিয়ালী,
ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস
ও
বনলতা
ইকো
কটেজ।পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা
জেলা
কার্যালয়ের সহকারী
পরিচালক মো.
হারুন-অর রশীদ বলেন,
ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও
বাণিশান্তা এলাকার
১৮টি
রিসোর্ট খুলনা
জেলা
কার্যালয়ের আওতাধীন। অনুমোদন ছাড়া
রিসোর্ট নির্মাণ করায়
পরিবেশ
আইন
অনুযায়ী তাদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া
হয়েছে।তিনি বলেন,
নির্দেশনা অমান্য
করলে
ভ্রাম্যমাণ আদালত
পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ
বিচ্ছিন্ন করা,
নিয়মিত
মামলা
করাসহ
প্রয়োজনীয় আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়া
হতে
পারে।তবে মোংলা
উপজেলার চিলা,
বৈদ্যমারী ও
চাঁদপাই এলাকার
রিসোর্টগুলো বাগেরহাট জেলার
আওতাধীন। ফলে
এসব
রিসোর্টের বিষয়ে
খুলনা
জেলা
কার্যালয়ের কাছে
কোনো
তথ্য
নেই
বলে
জানান
তিনি।