নিহতের খালাতো
ভাই শেখ নাজমুল হাসানের
ভাষ্য, ঘটনার সময় চক্রবর্তী এলাকায়
রাস্তার পাশে একটি দোকানে
ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন রাফিস। পাশের আরেকটি ঝালমুড়ির দোকানে কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে এক ব্যক্তি বাগ্বিতণ্ডায়
জড়ান এবং চিৎকার করছিলেন।
বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করতে সেখানে যান
রাফিস।
এ সময়
ঝালমুড়ি বিক্রেতা ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের কাছে
থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফিসসহ
আরও দুজনের ওপর হামলা করেন
বলে জানান নাজমুল হাসান। এতে রাফিসের পেটের
ডান পাশে গভীর ছুরিকাঘাত
লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে
উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়
একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরে তাঁর
অবস্থার অবনতি হলে রাত একটার
দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর
স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশের একটি টহল দল
অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করে। তবে
নিহতের স্বজনদের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ
রয়েছে।
নিহতের স্বজনেরা
জানান, রাফিস খুলনার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের খোরশেদ আলম গাজীর ছেলে।
তিনি পরিবার নিয়ে চক্রবর্তী এলাকার
একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন
এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায়
কাজ করতেন। সাত বছর বয়সী
একটি কন্যাসন্তান রয়েছে তাঁর।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রাফিসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিহতের খালাতো
ভাই শেখ নাজমুল হাসানের
ভাষ্য, ঘটনার সময় চক্রবর্তী এলাকায়
রাস্তার পাশে একটি দোকানে
ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন রাফিস। পাশের আরেকটি ঝালমুড়ির দোকানে কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে এক ব্যক্তি বাগ্বিতণ্ডায়
জড়ান এবং চিৎকার করছিলেন।
বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করতে সেখানে যান
রাফিস।
এ সময়
ঝালমুড়ি বিক্রেতা ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের কাছে
থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফিসসহ
আরও দুজনের ওপর হামলা করেন
বলে জানান নাজমুল হাসান। এতে রাফিসের পেটের
ডান পাশে গভীর ছুরিকাঘাত
লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে
উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়
একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরে তাঁর
অবস্থার অবনতি হলে রাত একটার
দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত
চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর
স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশের একটি টহল দল
অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করে। তবে
নিহতের স্বজনদের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ
রয়েছে।
নিহতের স্বজনেরা
জানান, রাফিস খুলনার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের খোরশেদ আলম গাজীর ছেলে।
তিনি পরিবার নিয়ে চক্রবর্তী এলাকার
একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন
এবং স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায়
কাজ করতেন। সাত বছর বয়সী
একটি কন্যাসন্তান রয়েছে তাঁর।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রাফিসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন