শুক্রবার
(১৮ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
পিংক সিটির রোড-২-এর
১২ নম্বর বাসায় অভিযান চালায় খিলক্ষেত থানা পুলিশ। অভিযানে
মাদক তৈরির সরঞ্জামের পাশাপাশি ফেনসিডিলের ৩৫০টি খালি বোতলও উদ্ধার
করা হয়।
খিলক্ষেত
থানা পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় ইয়াসিন আরাফাতকে
আটক করা হয়। তিনি
যশোরের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের দাবি, তাঁর সহযোগী হিসেবে
পরিচিত জাকারিয়া অভিযান টের পেয়ে দেয়াল
টপকে পালিয়ে যান। তাঁকে গ্রেপ্তারে
অভিযান চলছে।
পুলিশের
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রায়
আট মাস আগে বাসাটি
ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। তবে সেখানে কত
দিন ধরে ইয়াবা তৈরির
কার্যক্রম চলছিল, মাদক তৈরির কাঁচামাল
ও সরঞ্জাম কীভাবে আনা হতো এবং
এর সঙ্গে আর কারা জড়িত- এসব বিষয় খতিয়ে
দেখা হচ্ছে।
খিলক্ষেত
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাব
আল হোসাইন বলেন, আবাসিক এলাকার একটি বাসা ব্যবহার
করে মাদক তৈরির কারখানা
চালানোর বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে
না। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে
বিষয়টি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার
পর অভিযান চালানো হয়েছে।
ওসি
আরও বলেন, অভিযানে তৈরি মাদকের পাশাপাশি
ইয়াবা তৈরির মেশিন ও কাঁচামাল উদ্ধার
করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু
মাদক মজুতের ঘটনা কি না,
নাকি এর সঙ্গে উৎপাদন
কার্যক্রমও চলছিল- সেটিও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা
হচ্ছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, পলাতক জাকারিয়াকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদক তৈরির সঙ্গে
আরও কেউ জড়িত কি
না, কাঁচামাল কোথা থেকে এসেছে
এবং এর পেছনে কোনো
বড় চক্র রয়েছে কি
না, তা তদন্ত করে
দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা
প্রক্রিয়াধীন।
আবাসিক এলাকার একটি বাসার ভেতর মাদক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার
(১৮ সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
পিংক সিটির রোড-২-এর
১২ নম্বর বাসায় অভিযান চালায় খিলক্ষেত থানা পুলিশ। অভিযানে
মাদক তৈরির সরঞ্জামের পাশাপাশি ফেনসিডিলের ৩৫০টি খালি বোতলও উদ্ধার
করা হয়।
খিলক্ষেত
থানা পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় ইয়াসিন আরাফাতকে
আটক করা হয়। তিনি
যশোরের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশের দাবি, তাঁর সহযোগী হিসেবে
পরিচিত জাকারিয়া অভিযান টের পেয়ে দেয়াল
টপকে পালিয়ে যান। তাঁকে গ্রেপ্তারে
অভিযান চলছে।
পুলিশের
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রায়
আট মাস আগে বাসাটি
ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। তবে সেখানে কত
দিন ধরে ইয়াবা তৈরির
কার্যক্রম চলছিল, মাদক তৈরির কাঁচামাল
ও সরঞ্জাম কীভাবে আনা হতো এবং
এর সঙ্গে আর কারা জড়িত- এসব বিষয় খতিয়ে
দেখা হচ্ছে।
খিলক্ষেত
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাব
আল হোসাইন বলেন, আবাসিক এলাকার একটি বাসা ব্যবহার
করে মাদক তৈরির কারখানা
চালানোর বিষয়টি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে
না। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে
বিষয়টি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়ার
পর অভিযান চালানো হয়েছে।
ওসি
আরও বলেন, অভিযানে তৈরি মাদকের পাশাপাশি
ইয়াবা তৈরির মেশিন ও কাঁচামাল উদ্ধার
করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু
মাদক মজুতের ঘটনা কি না,
নাকি এর সঙ্গে উৎপাদন
কার্যক্রমও চলছিল- সেটিও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা
হচ্ছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, পলাতক জাকারিয়াকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মাদক তৈরির সঙ্গে
আরও কেউ জড়িত কি
না, কাঁচামাল কোথা থেকে এসেছে
এবং এর পেছনে কোনো
বড় চক্র রয়েছে কি
না, তা তদন্ত করে
দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা
প্রক্রিয়াধীন।
আবাসিক এলাকার একটি বাসার ভেতর মাদক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন