সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং কুষ্টিয়া লালন একাডেমির আয়োজনে ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। উৎসবে লালনের আধ্যাত্মিক দর্শন ও মানবতাবাদী গান পরিবেশনের পাশাপাশি রয়েছে সাধুদের ভাববিনিময় এবং প্রচলিত রীতিতে বাল্যসেবা, রাখালসেবা ও পুণ্যসেবার আয়োজন।
শনিবার বিকেলে উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আলোচনা সভা শেষে বিকেল পাঁচটায় লালন মঞ্চে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বিভিন্ন এলাকার শিল্পীরা লালনসংগীত পরিবেশন করবেন। এ উপলক্ষে আখড়াবাড়ির সামনে মরা কালীগঙ্গা নদীর প্রাঙ্গণে বসেছে গ্রামীণ মেলা। দুই শতাধিক স্টলে পসরা সাজিয়েছেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। উৎসব ঘিরে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।
প্রচলিত ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ছেঁউড়িয়ায় দেহত্যাগ করেন ফকির লালন সাঁই। তাঁর গান ও দর্শনে মানবতা, সাম্য এবং জাত-ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে ভালোবাসার আহ্বান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং কুষ্টিয়া লালন একাডেমির আয়োজনে ১৭ থেকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ উৎসব। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। উৎসবে লালনের আধ্যাত্মিক দর্শন ও মানবতাবাদী গান পরিবেশনের পাশাপাশি রয়েছে সাধুদের ভাববিনিময় এবং প্রচলিত রীতিতে বাল্যসেবা, রাখালসেবা ও পুণ্যসেবার আয়োজন।
শনিবার বিকেলে উৎসবের উদ্বোধন করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আলোচনা সভা শেষে বিকেল পাঁচটায় লালন মঞ্চে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে বিভিন্ন এলাকার শিল্পীরা লালনসংগীত পরিবেশন করবেন। এ উপলক্ষে আখড়াবাড়ির সামনে মরা কালীগঙ্গা নদীর প্রাঙ্গণে বসেছে গ্রামীণ মেলা। দুই শতাধিক স্টলে পসরা সাজিয়েছেন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ব্যবসায়ীরা। উৎসব ঘিরে নেওয়া হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।
প্রচলিত ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, ১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর ছেঁউড়িয়ায় দেহত্যাগ করেন ফকির লালন সাঁই। তাঁর গান ও দর্শনে মানবতা, সাম্য এবং জাত-ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে ভালোবাসার আহ্বান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন