দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত
থাকার পর ২০১৬ সালে
ভারতীয় কমিশনারের অনুদানে মূল কাঠামো অক্ষুণ্ন
রেখে বাড়িটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। পরে
দর্শনার্থীদের জন্য এটি উন্মুক্ত
করে দেওয়া হয়।
বাড়িটি সংস্কারে
চুন-সুরকির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা
মূল্যবান কাঠ ও টালি
ব্যবহার করা হয়েছে। অন্দরমহল
সাজানো হয়েছে ব্রিটিশ আমলের আসবাব দিয়ে।
বাড়ির সামনে
স্থাপন করা হয়েছে গিরিশ
চন্দ্র সেনের একটি আবক্ষ মূর্তি।
সেখানে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনীও
তুলে ধরা হয়েছে।
জাদুঘরে রয়েছে
গিরিশ চন্দ্র সেনের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র, তাঁর বাস্তুভিটায় পাওয়া
প্রত্ননিদর্শন এবং তাঁর লেখা
বই। এসব সংগ্রহ তাঁর
জীবন ও কর্ম সম্পর্কে
দর্শনার্থীদের জানার সুযোগ করে দেয়।
প্রতি সপ্তাহের
রোববার ছাড়া অন্য ছয়
দিন জাদুঘরটি সর্বসাধারণের জন্য খোলা থাকে।
গিরিশ চন্দ্র
সেন ১৮৩৪ সালে নরসিংদীর
পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একই সঙ্গে
সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদ হিসেবে
পরিচিত ছিলেন। ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন গ্রন্থ নিয়ে তিনি গবেষণা
ও অনুবাদ করেন।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বী
হয়েও তিনি পবিত্র কোরআনের
বাংলা অনুবাদ করেন। তাঁর এই অনুবাদকর্ম
তাঁকে বাংলা ভাষায় কোরআন অনুবাদের ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত করে তোলে।
ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক
হিসেবে তিনি ‘ভাই’ উপাধি লাভ
করেন। পরে আরবি ও
ফারসি ভাষায় দক্ষতা অর্জন এবং কোরআন-হাদিস
অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁকে ‘মৌলভি’ উপাধিও দেওয়া হয়।
১৯১০ সালের
১৫ আগস্ট গিরিশ চন্দ্র সেন মৃত্যুবরণ করেন।
গিরিশ চন্দ্র
সেনের বাড়ি ও জাদুঘর
নরসিংদীর একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক
স্থাপনা। তাঁর ব্যবহৃত সামগ্রী,
বই ও অন্যান্য নিদর্শন
সংরক্ষণের মাধ্যমে তাঁর জীবন ও
কর্মকে নতুন প্রজন্মের সামনে
তুলে ধরা হচ্ছে।
লেখক: মোহাম্মদ
নাজমুল হক শামীম
সাধারণ সম্পাদক: বাংলাদেশ
ইতিহাস চর্চা পরিষদ

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত
থাকার পর ২০১৬ সালে
ভারতীয় কমিশনারের অনুদানে মূল কাঠামো অক্ষুণ্ন
রেখে বাড়িটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। পরে
দর্শনার্থীদের জন্য এটি উন্মুক্ত
করে দেওয়া হয়।
বাড়িটি সংস্কারে
চুন-সুরকির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা
মূল্যবান কাঠ ও টালি
ব্যবহার করা হয়েছে। অন্দরমহল
সাজানো হয়েছে ব্রিটিশ আমলের আসবাব দিয়ে।
বাড়ির সামনে
স্থাপন করা হয়েছে গিরিশ
চন্দ্র সেনের একটি আবক্ষ মূর্তি।
সেখানে তাঁর সংক্ষিপ্ত জীবনীও
তুলে ধরা হয়েছে।
জাদুঘরে রয়েছে
গিরিশ চন্দ্র সেনের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র, তাঁর বাস্তুভিটায় পাওয়া
প্রত্ননিদর্শন এবং তাঁর লেখা
বই। এসব সংগ্রহ তাঁর
জীবন ও কর্ম সম্পর্কে
দর্শনার্থীদের জানার সুযোগ করে দেয়।
প্রতি সপ্তাহের
রোববার ছাড়া অন্য ছয়
দিন জাদুঘরটি সর্বসাধারণের জন্য খোলা থাকে।
গিরিশ চন্দ্র
সেন ১৮৩৪ সালে নরসিংদীর
পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একই সঙ্গে
সাহিত্যিক, গবেষক ও ভাষাবিদ হিসেবে
পরিচিত ছিলেন। ইসলাম ধর্মের বিভিন্ন গ্রন্থ নিয়ে তিনি গবেষণা
ও অনুবাদ করেন।
ভিন্ন ধর্মাবলম্বী
হয়েও তিনি পবিত্র কোরআনের
বাংলা অনুবাদ করেন। তাঁর এই অনুবাদকর্ম
তাঁকে বাংলা ভাষায় কোরআন অনুবাদের ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত করে তোলে।
ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক
হিসেবে তিনি ‘ভাই’ উপাধি লাভ
করেন। পরে আরবি ও
ফারসি ভাষায় দক্ষতা অর্জন এবং কোরআন-হাদিস
অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁকে ‘মৌলভি’ উপাধিও দেওয়া হয়।
১৯১০ সালের
১৫ আগস্ট গিরিশ চন্দ্র সেন মৃত্যুবরণ করেন।
গিরিশ চন্দ্র
সেনের বাড়ি ও জাদুঘর
নরসিংদীর একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক
স্থাপনা। তাঁর ব্যবহৃত সামগ্রী,
বই ও অন্যান্য নিদর্শন
সংরক্ষণের মাধ্যমে তাঁর জীবন ও
কর্মকে নতুন প্রজন্মের সামনে
তুলে ধরা হচ্ছে।
লেখক: মোহাম্মদ
নাজমুল হক শামীম
সাধারণ সম্পাদক: বাংলাদেশ
ইতিহাস চর্চা পরিষদ

আপনার মতামত লিখুন