সৌদি
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা এবং পরিচালনাগত প্রস্তুতি
নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
এ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া
পর্যন্ত বিমানবন্দরটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। জেদ্দার বিমানবন্দরের পর এটি সৌদি
আরবের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর।
সোমবার
গভীর রাতে হুথিরা দাবি
করে, তারা রিয়াদের কিং
খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর কিছুক্ষণ আগে
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে জানানো
হয়, রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া হুথিদের
একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা
হয়েছে।
একই
বিবৃতিতে হুথিরা আরও দাবি করে,
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খামিস মুশাইতে একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য
করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সোমবার
জারি করা নোটিস টু
এয়ারমেন (নোটাম) অনুযায়ী, আগামী ১৭ অক্টোবর গ্রিনিচ
মান সময় রাত ৯টা
পর্যন্ত কিং খালিদ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবারের হামলার পর থেকেই বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এটি সৌদি আরবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরদিন রোববারের আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং প্রায় এক ডজন মানুষ আহত হন।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
বিমানবন্দরের স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা এবং পরিচালনাগত প্রস্তুতি
নিশ্চিত করার কাজ চলছে।
এ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া
পর্যন্ত বিমানবন্দরটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। জেদ্দার বিমানবন্দরের পর এটি সৌদি
আরবের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বিমানবন্দর।
সোমবার
গভীর রাতে হুথিরা দাবি
করে, তারা রিয়াদের কিং
খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এর কিছুক্ষণ আগে
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে জানানো
হয়, রাজধানী রিয়াদের দিকে ছোড়া হুথিদের
একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করা
হয়েছে।
একই
বিবৃতিতে হুথিরা আরও দাবি করে,
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খামিস মুশাইতে একটি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য
করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সোমবার
জারি করা নোটিস টু
এয়ারমেন (নোটাম) অনুযায়ী, আগামী ১৭ অক্টোবর গ্রিনিচ
মান সময় রাত ৯টা
পর্যন্ত কিং খালিদ আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবারের হামলার পর থেকেই বিমানবন্দরটি বন্ধ রয়েছে। ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হন। এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এটি সৌদি আরবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরদিন রোববারের আরেকটি হামলায় একজন নিহত এবং প্রায় এক ডজন মানুষ আহত হন।

আপনার মতামত লিখুন